ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

মা-ছেলেকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি সিআইডির এএসপিসহ ৪জন আটক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

মা ও ছেলেকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এএসপিসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হচ্ছেন, রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক। অপহরণের

কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসের ড্রাইভারকেও আটক করা হয়। মঙ্গলবার বিকালে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থেকে তাদেরকে আটকের কথা জানায় পুলিশ।

লুৎফরের ভাগ্নে শামসুল আলম মানিক জানান, চলতি মাসের শুরু দিকে রংপুর সিআইডি কার্যালয়ে লুৎফর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ করেন

চিরিরবন্দরে বসবাসকারী পলাশ নামের এক ব্যক্তি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবিরের নেতৃত্বে একটি দল চিরিরবন্দরে গিয়ে

তার মামার বাড়িতে অভিযান চালায়। লুৎফরকে না পেয়ে তার স্ত্রী জহুরা বেগম ও ছেলে মো. জাহাঙ্গীরকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় তারা।

পরে লুৎফর রহমানকে ফোন করে তার স্ত্রী-সন্তানের মুক্তির বিনিময়ে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা নিতে মঙ্গলবার বিকেলে সিআইডি কর্মকর্তাদের দিনাজপুর সদর উপজেলার বাশেরহাটে আসতে বলেন লুৎফর। এর আগেই বিষয়টি তিনি চিরিরবন্দর থানা পুলিশকে জানিয়ে রাখেন মানিক।

সিআইডি কর্মকর্তারা বাশেরহাটে এলে জেলা পুলিশ ও সিআইডি তাদের আটক করে প্রথমে চিরিরবন্দর থানায় এবং রাতে তাদের দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নেয়া হয়। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

রংপুর সিআইডির ভারপ্রাপ্ত এসপি আতাউর রহমান বলেন, আটক এএসপি, একজন এএসআই ও একজন কনস্টেবল রয়েছেন। তাদের মধ্যে এএসআই ও কনস্টেবল ২১ আগস্ট থেকে ১০ দিনের ছুটিতে ছিলেন। তারা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে যান। সরকারি গাড়ি ব্যবহার না

করে এবং অনুমতি ছাড়া তারা ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে অপারেশনে যান। আটকের পর আমাকে জানানো হয়েছে। তারা যে আমাদের স্টাফ তা জানিয়েছি।

এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে রংপুর সিআইডির এসপি আতাউর রহমান জানান, তারা অনুমতি ছাড়াই অভিযানে গিয়েছেন। কেন গেলেন, কাকে অপহরণ করলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মা-ছেলেকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি সিআইডির এএসপিসহ ৪জন আটক

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

মা ও ছেলেকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এএসপিসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হচ্ছেন, রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক। অপহরণের

কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসের ড্রাইভারকেও আটক করা হয়। মঙ্গলবার বিকালে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থেকে তাদেরকে আটকের কথা জানায় পুলিশ।

লুৎফরের ভাগ্নে শামসুল আলম মানিক জানান, চলতি মাসের শুরু দিকে রংপুর সিআইডি কার্যালয়ে লুৎফর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ করেন

চিরিরবন্দরে বসবাসকারী পলাশ নামের এক ব্যক্তি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবিরের নেতৃত্বে একটি দল চিরিরবন্দরে গিয়ে

তার মামার বাড়িতে অভিযান চালায়। লুৎফরকে না পেয়ে তার স্ত্রী জহুরা বেগম ও ছেলে মো. জাহাঙ্গীরকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় তারা।

পরে লুৎফর রহমানকে ফোন করে তার স্ত্রী-সন্তানের মুক্তির বিনিময়ে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা নিতে মঙ্গলবার বিকেলে সিআইডি কর্মকর্তাদের দিনাজপুর সদর উপজেলার বাশেরহাটে আসতে বলেন লুৎফর। এর আগেই বিষয়টি তিনি চিরিরবন্দর থানা পুলিশকে জানিয়ে রাখেন মানিক।

সিআইডি কর্মকর্তারা বাশেরহাটে এলে জেলা পুলিশ ও সিআইডি তাদের আটক করে প্রথমে চিরিরবন্দর থানায় এবং রাতে তাদের দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নেয়া হয়। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

রংপুর সিআইডির ভারপ্রাপ্ত এসপি আতাউর রহমান বলেন, আটক এএসপি, একজন এএসআই ও একজন কনস্টেবল রয়েছেন। তাদের মধ্যে এএসআই ও কনস্টেবল ২১ আগস্ট থেকে ১০ দিনের ছুটিতে ছিলেন। তারা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে যান। সরকারি গাড়ি ব্যবহার না

করে এবং অনুমতি ছাড়া তারা ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে অপারেশনে যান। আটকের পর আমাকে জানানো হয়েছে। তারা যে আমাদের স্টাফ তা জানিয়েছি।

এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে রংপুর সিআইডির এসপি আতাউর রহমান জানান, তারা অনুমতি ছাড়াই অভিযানে গিয়েছেন। কেন গেলেন, কাকে অপহরণ করলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।