ভারতে পালিয়েছে হাদির হামলাকারী দাউদ খান, পাঠিয়েছে সেলফি, দাবি সায়েরের
- আপডেট সময় : ১২:২৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন, এমন দাবি নতুন নয়।
তবে এবার এই দাবির সঙ্গে নতুন তথ্য যুক্ত করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তার দাবি, ভারতে পালিয়ে গিয়ে দাউদ খান নিজের সেলফি পাঠিয়েছেন বিভিন্ন নম্বরে।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের জানান, হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী মোটরসাইকেলচালক আলমগীর হোসেন গত ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।
বিশেষ গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, ভারতে প্রবেশের পর ফয়সাল করিম মাসুদ একটি ভারতীয় মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেন, যা তাকে জোগাড় করে দেন জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব।

ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িত শ্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগী মোটরবাইক চালক আলমগীর হোসেন একইদিন (১২ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর জাহাঙ্গীর কবির নানকের পিএস মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব, ফয়সাল করিম মাসুদকে এই ভারতীয় নম্বরটি জোগাড় করে দেন বলে বিশেষ গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়। +৯১৬০০১৩৯৪০** এই নম্বরটি ব্যবহার করে গতকাল (১৩ ডিসেম্বর) রাতে কয়েকটি নম্বরে নিজেদের এই সেলফি পাঠান ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান। যেসকল নম্বরে এই ছবিটি পাঠানো হয় তার একটি ইন্টারসেপ্ট করে এই ছবিটি পাওয়া যায়, যা গতকাল ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে তোলা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তার চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনাও চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় প্রকাশ্যে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বর্তমানে তিনি সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার প্রতিবাদে হামলার পর থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।




















