বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিনোদন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়
- আপডেট সময় : ০৯:১৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩ ২২৯ বার পড়া হয়েছে
আয়েশা নূর, কুমিল্লা
ঈদের দু’দিন আগে থেকে ভারী বর্ষণ। ঈদের দিনেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মসজিদ-ঈদগাহে ঈদ জামাতে সামিল হয়েছেন লাখো মানুষ।
বৃষ্টি ঝরেছে সারাদেশেই। ঈদের লম্বা ছুটিতে বিনোদকেন্দ্রে যেতে পারেননি অনেকে। মঙ্গলবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে কুমিল্লায় মৌসুমী বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রগুলো ছিল দর্শনার্থী উপচে পড়া ভিড়। তারপরও আশানুরূপ দর্শনার্থী মিলেনি বলে দাবী করেন সংশ্লিষ্টরা।
বৈরী আবহাওয়ায় এই রোদ, এই বৃষ্টি। রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি। কিন্তু বৃষ্টিভেজা আনন্দেই কেটে গেছে ঈদ। এমন পরিস্থিতিতেও ঘরে বসে ছিল থাকেনি না মানুষ। শুক্র-শনিবার বৃষ্টি বেশি থাকায় রবি ও সোমবার দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে।
পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে নিয়ে আনন্দ উল্লাসে কেটেছে। সকল বয়সীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো।
জেলার নগর উদ্যান বা ধর্মসাগরপাড় ছাড়াও শহরের ভিতর তেমন কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় কোটবাড়ি এলাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের পদচারণা ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। এর মধ্যে প্রত্নতাত্তিক নিদর্শন রাজবাড়ি, যাদুঘর, কোটিলামুড়া, রূপŸানমুড়া বা শালবন বিহার।
সরকারি ছাড়াও কোটবাড়ি এলাকায় বেসরকারি বা ব্যক্তি উদ্যোগে বেশ একাধিক বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। শহরের বাইরে ময়নামতি সেনা নিবাস এলাকার রূপসাগর, গোমতি নদীর পাড়ে পালপাড়া ব্রীজ এলাকা, লালমাই লেক লেন, নূরজাহান পার্ক, সদর দক্ষিণের লালবাগ এলাকার ইকোপার্ক হাজার হাজার দর্শনার্থীদের পদচারণা।
ম্যাজিক প্যারাডাইসে পদর্শনার্থীদের পদচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। সুমিং, রাইড শেয়ারিং সহ বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা থাকায় এ বিনোদন কেন্দ্রটি ছিল আলোচনার শীর্ষে।
বিনোদন কেন্দ্রে আসা সুমাইয়া দম্পতি কর্মজীবী। শিশুদের সময় দেওয়ার মতো সব সময় সুযোগ হয়ে উঠে না। এবারের ঈদের লম্বা ছুটি পেয়েছেন তাই বেড়িয়ে পড়া। কুমিল্লায় এতো সুন্দর ভ্রমনের স্থান আগে জানতেন না তারা।




















