ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

বাংলাদেশ সোমালিয়া-ইথিওপিয়া নয়, ভোটে জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৫২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

সরকার চাইলে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে জাতিসংঘ সহায়তা দিতে প্রস্তুত, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোর এমন বক্তব্যে জবাবে বাংলাদেশের তথ্য ও

সম্প্রসার ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচনের অনেক সময় বাকি। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কারো

সহযোগিতা দরকার আছে বলে মনে করেন না তিনি। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ সোমালিয়া কিংবা ইথিওপিয়া নয় যে, এখানে নির্বাচনের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে।

সোমবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) ‘বিএসআরএফ বার্তা’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকসহ ফোরামের অন্যান্য নেতারা।

তথ্য মন্ত্রী বলেন, কিন্তু সেখানে কেউ যদি পর্যবেক্ষণ কিংবা পর্যবেক্ষকের বিষয়…সেটি ভিন্ন বিষয়। কিন্তু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনের সহায়তা লাগবে বিষয়টি অবশ্যই তা নয়।

বিটিআরসি আইপি টিভি বন্ধ করছে। কিন্তু ইউটিউবভিত্তিক নিউজ চ্যানেলের বিষয়ে সরকার কী উদ্যোগ নিচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আইপি টিভির রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার

দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের। কিন্তু তারা ডোমেইন বরাদ্দ পায় বিটিআরসির কাছ থেকে। ডোমেইন বরাদ্দ তারা কীভাবে পেল-সেটি হচ্ছে প্রশ্ন। আমি মনে করি কাউকে ডোমেইন বরাদ্দ দেওয়ার আগে এখন থেকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে।

তিনি বলেন, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা তদন্ত করছি, এ বিষয়ে আদালতেরও একটি নির্দেশনা রয়েছে। সুতরাং এ সবের আলোকে আমরা অনলাইন ও আইপিটিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছি, এটি অব্যাহত থাকবে।

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব করার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেখুন সরকার যে কারো ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। এমপিদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, সরকারি

কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদেরও ব্যাংক হিসাব ইতোপূর্বে তলব হয়েছে। ব্যাংক হিসাব চাওয়াটা দোষের নয়।

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব চেয়েছে, সেটি কেন পত্রিকায় এলো, সেটি তো পত্রিকায় আসার কথা ছিল না, এটি কেন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলো-এটি হচ্ছে প্রশ্ন। আরেকটি প্রশ্ন

হচ্ছে, যেটি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে-সংগঠনের নাম দিয়ে কেন ব্যাংক হিসাব চাওয়া হলো। আমি মনে করি, কেউ স্বচ্ছ থাকলে কারো উদ্বিগ্ন হাওয়ার কোনো কারণ নেই।

ব্যাংক হিসাব চাওয়ার পর এটি যখন প্রকাশিত হবে। যখন এর স্বচ্ছতা বেরিয়ে আসবে। তখন তো তারা যে অত্যন্ত স্বচ্ছ সেটি মানুষের সামনে আসবে। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ আছে বলে

আমি মনে করি না। তবে এটি কেন সংগঠনের নাম দিয়ে চাওয়া হলো এবং কেন এটি কাগজে এলো সেই প্রশ্ন অনেকে রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশ সোমালিয়া-ইথিওপিয়া নয়, ভোটে জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

ছবি সংগ্রহ

সরকার চাইলে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে জাতিসংঘ সহায়তা দিতে প্রস্তুত, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোর এমন বক্তব্যে জবাবে বাংলাদেশের তথ্য ও

সম্প্রসার ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচনের অনেক সময় বাকি। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কারো

সহযোগিতা দরকার আছে বলে মনে করেন না তিনি। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ সোমালিয়া কিংবা ইথিওপিয়া নয় যে, এখানে নির্বাচনের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে।

সোমবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) ‘বিএসআরএফ বার্তা’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকসহ ফোরামের অন্যান্য নেতারা।

তথ্য মন্ত্রী বলেন, কিন্তু সেখানে কেউ যদি পর্যবেক্ষণ কিংবা পর্যবেক্ষকের বিষয়…সেটি ভিন্ন বিষয়। কিন্তু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনের সহায়তা লাগবে বিষয়টি অবশ্যই তা নয়।

বিটিআরসি আইপি টিভি বন্ধ করছে। কিন্তু ইউটিউবভিত্তিক নিউজ চ্যানেলের বিষয়ে সরকার কী উদ্যোগ নিচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আইপি টিভির রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার

দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের। কিন্তু তারা ডোমেইন বরাদ্দ পায় বিটিআরসির কাছ থেকে। ডোমেইন বরাদ্দ তারা কীভাবে পেল-সেটি হচ্ছে প্রশ্ন। আমি মনে করি কাউকে ডোমেইন বরাদ্দ দেওয়ার আগে এখন থেকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে।

তিনি বলেন, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা তদন্ত করছি, এ বিষয়ে আদালতেরও একটি নির্দেশনা রয়েছে। সুতরাং এ সবের আলোকে আমরা অনলাইন ও আইপিটিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছি, এটি অব্যাহত থাকবে।

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব করার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেখুন সরকার যে কারো ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। এমপিদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, সরকারি

কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদেরও ব্যাংক হিসাব ইতোপূর্বে তলব হয়েছে। ব্যাংক হিসাব চাওয়াটা দোষের নয়।

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব চেয়েছে, সেটি কেন পত্রিকায় এলো, সেটি তো পত্রিকায় আসার কথা ছিল না, এটি কেন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলো-এটি হচ্ছে প্রশ্ন। আরেকটি প্রশ্ন

হচ্ছে, যেটি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে-সংগঠনের নাম দিয়ে কেন ব্যাংক হিসাব চাওয়া হলো। আমি মনে করি, কেউ স্বচ্ছ থাকলে কারো উদ্বিগ্ন হাওয়ার কোনো কারণ নেই।

ব্যাংক হিসাব চাওয়ার পর এটি যখন প্রকাশিত হবে। যখন এর স্বচ্ছতা বেরিয়ে আসবে। তখন তো তারা যে অত্যন্ত স্বচ্ছ সেটি মানুষের সামনে আসবে। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ আছে বলে

আমি মনে করি না। তবে এটি কেন সংগঠনের নাম দিয়ে চাওয়া হলো এবং কেন এটি কাগজে এলো সেই প্রশ্ন অনেকে রেখেছে।