বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সংক্রান্ত মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি প্রত্যাখ্যান
- আপডেট সময় : ০৬:১৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রিতিনিধি, ঢাকা
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু কমে যাওয়া সংক্রান্ত ৬ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি প্রত্যাখান করেছে সেকুলার সিটিজেন বাংলাদেশ। সংগঠনের নেতারা বলছেন, গত ১৭ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে দেওয়া চিঠির তথ্য মিথ্যা এবং বাস্তবতা বিবর্জিত। ৬ মার্কিন কংগ্রেসম্যান তাদের চিঠিতে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন, তাতে বেশ আতঙ্কিত ও হতবাক হয়েছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারা।
সোমবার ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে চিঠি প্রত্যাখ্যানের কথা তুলে ধরেন সংগঠনের আহ্বায়ক ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। লিখিত বক্তব্যে তিনি ব্যারিস্টার তাপস বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের কাছে পাঠানো এক ইমেইলে সেকুলার সিটিজেনস, বাংলাদেশের সদস্যরা দাবি করেছেন যে, মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের উল্লিখিত চিঠিটি পক্ষপাতদুষ্ট এবং সংখ্যালঘুর সংখ্যা কমানোর বিষয়ে ইতিহাস বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেছেন।
কংগ্রেস সদস্যদের চিঠিতে দাবি করা হয়েছে যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গেছে। পাশাপাশি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।
কিন্তু সেখানে একেবারেই উল্লেখ করা হয়নি যে, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতার বাইরে থেকেও বিগত ২০০১-৬ সালে তাদের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন করা হয়। এছাড়াও এই জোটের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেও সংঘটিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে কোনো আলোচনাই করেননি এই কংগ্রেসম্যানেরা, যার কিনা সাহাবুদ্দিন কমিশনের রিপোর্টে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কংগ্রেসম্যানেরা এই চিঠিতে গত এক দশকে হিন্দু ধর্মীয় শারদীয় দুর্গা পূজার সংখ্যা সামগ্রিকভাবে সারা বাংলাদেশে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেননি।
ব্যারিস্টার তাপস বলেন, ১৯৭৫ সালের পরে বাংলাদেশের সংবিধানের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র হরণ করা হয়েছিল। সংবিধানের সেই অসাম্প্রদায়িক চরিত্র কিছুটা হলেও হাসিনা সরকার ফিরিয়ে এনেছে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
আমরা সকলেই জানি, নির্বাচন আসলেই ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কংগ্রেসম্যানদের উচিত এবারের নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়গুলোকে নিরাপত্তা প্রদানের জন্যে সরকারকে উৎসাহিত করা।




















