পূজা উপলক্ষ্যে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের আর্থিক অনুদান ও উপহার সামগ্রী প্রদান বিজিবি’র
- আপডেট সময় : ০১:২২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে
‘জীবে প্রেম করে যে জন, সেজন সেবিছে ঈশ্বর’
মানবপ্রেমই প্রকৃত ধর্ম। প্রকৃতপক্ষে, সৃষ্টিকর্তার সেবা করার অন্যতম সেরা উপায় হচ্ছে, তার সৃষ্ট জীবের সেবা করা। মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দয়া প্রদর্শনই ঈশ্বরের প্রতি সত্যিকারের ভক্তি ও শ্রদ্ধা প্রকাশের প্রতিফলন।
মানবসেবায় বরাবরই বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এগিয়ে। বন্যা, দুর্যোগ, শীত, নদী ভাঙ্গন, ঘূর্ণিঝড় এবং উপকূলবাসীর নানা সমস্যায় সেবায় নিয়ে দোরগোড়ায় উপস্থিত বিজিবি জোয়ানরা।
বাংলাদেশে খুবই জাকজমকপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব চলছে। পূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ যাতে করে উৎসবের অংশি হয়ে আনন্দ নিয়ে উৎসব পালন করতে পারেন, এমন ভাবনায় সহায়তার হাত বাড়ায় বিজিবি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরে কাচালং বাজার সংলগ্ন শ্রী শ্রী রক্ষা কালিমন্দিরে আশেপাশে এলাকায় বসবাসরত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে আর্থিক অনুদান ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করে বিজিবির মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি)।

বিজিবি’র মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) অধিনায়ক ও জোন কমান্ডার লে. কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ রোববার রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরে কাচালং বাজার সংলগ্ন শ্রী শ্রী রক্ষা কালিমন্দির পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি পূজা মন্ডপের সভাপতি ও উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে কুশলা মতবিনিময় করেন এবং ২০টি অসহায় পরিবারের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি, পোলাও চাউল, ডাল ও তৈলসহ বিভিন্ন উপহারসামগ্রী এবং নগদ ১০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
বিজিবি অধিনায়ক বলেন, বিজিবি ‘সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’ এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্নের জন্য বিজিবি, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নিশ্চিতে দিন-রাত টহল অব্যাহত রেখেছে।
‘পাহাড়ি-বাঙ্গালী আমরা সবাই বাংলাদেশী’ ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে পূজা বা অন্যান্য ধর্মীয় উৎসব উদযাপন একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। সমাজের সকল স্তরের মানুষ মিলেমিশে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করা সম্ভব, যা দেশের উন্নয়নে সহায়ক।
মারিশ্যা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর এম শাহিনুর রহমান, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



















