ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরান পাল্টা আক্রমণে ইসরায়েল লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক বছরে স্বর্ণে জাকাত বেড়েছে ২০ হাজার ৮১৩ টাকা অমর একুশে বইমেলায় পাপেট  শোতে মুখর  শিশুপ্রহর ২২৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহতর দাবি করেছে পাকিস্তান ঋণ মওকুফে কৃষকের স্বস্তি: বিশেষ দোয়ার আয়োজন বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর জেদ্দায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ওআইসি সম্মেলনের প্রান্তে ৫ দেশের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক শিগগিরই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ দেবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

নির্বাচনে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকের অংশগ্রহণ বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে সুজন

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অভিযুক্ত ঋণখেলাপি দ্বৈত নাগরিকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগকে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৪৫ জন ঋণখেলাপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে বিএনপির ৪১ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর চারজন। এই প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির ১১ জন জয়ী হয়েছেন।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সুজনের জাতীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেন লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন। সভার সভাপতিত্ব করেন সুজনের সম্পাদক . বদিউল আলম মজুমদার, এবং সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন গণভোট তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিজয়ী দলের নেতা পরাজিত দলের নেতাদের মধ্যে সাক্ষাৎ এবং অভিনন্দনের দৃশ্য নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দেয়। তবে সংবিধান সংশোধন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সুজন বলেছে, নির্বাচন আংশিকভাবে বিতর্কমুক্ত হলেও সম্পূর্ণ প্রশ্নাতীত বলা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় পর নির্বাচন তুলনামূলকভাবে অংশগ্রহণমূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক বৈধতা বৃদ্ধি করেছে। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সংস্থার প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, কয়েকজন প্রার্থী দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পেরেছেন। নির্বাচন কমিশন আইনের ব্যাখ্যা প্রদানে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি জামায়াত জোট সম্মিলিতভাবে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট এবং ২৮৯ আসনে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পেরেছে এবং নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হয়েছে। সব দল ফলাফল মেনে নিয়েছে। যেসব অভিযোগ আছে, তা তদন্ত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, এবং এই কমিশনের মেয়াদকালে তা সমাধান হবে বলে আমরা আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নির্বাচনে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকের অংশগ্রহণ বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে সুজন

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অভিযুক্ত ঋণখেলাপি দ্বৈত নাগরিকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগকে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৪৫ জন ঋণখেলাপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে বিএনপির ৪১ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর চারজন। এই প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির ১১ জন জয়ী হয়েছেন।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সুজনের জাতীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেন লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন। সভার সভাপতিত্ব করেন সুজনের সম্পাদক . বদিউল আলম মজুমদার, এবং সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন গণভোট তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিজয়ী দলের নেতা পরাজিত দলের নেতাদের মধ্যে সাক্ষাৎ এবং অভিনন্দনের দৃশ্য নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দেয়। তবে সংবিধান সংশোধন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সুজন বলেছে, নির্বাচন আংশিকভাবে বিতর্কমুক্ত হলেও সম্পূর্ণ প্রশ্নাতীত বলা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় পর নির্বাচন তুলনামূলকভাবে অংশগ্রহণমূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক বৈধতা বৃদ্ধি করেছে। তবে কিছু সীমাবদ্ধতা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সংস্থার প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, কয়েকজন প্রার্থী দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পেরেছেন। নির্বাচন কমিশন আইনের ব্যাখ্যা প্রদানে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি জামায়াত জোট সম্মিলিতভাবে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট এবং ২৮৯ আসনে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পেরেছে এবং নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হয়েছে। সব দল ফলাফল মেনে নিয়েছে। যেসব অভিযোগ আছে, তা তদন্ত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, এবং এই কমিশনের মেয়াদকালে তা সমাধান হবে বলে আমরা আশাবাদী।