ত্রিশ বছর পর মামলা থেকে খালাস
- আপডেট সময় : ০৯:২১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩ ২২৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
ঘটনাটা ১৯৯৩ সালের ২৪ মে। ঢাকার মহাখালীতে তিন দশক আগে একটি জুতার কারখানায় চাকরি করতেন বগুড়ার আব্দুল করিম দুলাল। দুই সহকর্মীর সঙ্গে থাকতেন কোম্পানির মেসে। এলাকার দূরসম্পর্কের আত্মীয় নজরুল ইসলাম দুদু মিয়া এসে ওঠেন দুলালের মেসে। দুদুকে আশ্রয় দেওয়াই কাল হয় দুলালের জীবনে।
দুদু একটি ব্যাগ দুলালের কাছে রেখে বেরিয়ে যান। পরদিন সিআইডি পুলিশ দুলালের মেসে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাগ থেকে তিনটি মূর্তি উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার হন দুলাল ও দুদু। মামলা হয় তাদের দু’জনের বিরুদ্ধে।
বর্তমানে ৫৫ বছর দুলাল যখন মামলায় জড়ান তখন তিনি তরুণ। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে থাকেন বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ধাওয়া পিকসন গ্রামে। এখন অনেকটা অসুস্থ তিনি।
অবশেষে ত্রিশ বছর পর বৃহস্পতিবার সেই মামলা থেকে খালাস পান আব্দুল করিম দুলাল। ঢাকার এক নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবুল কাসেম বৃহস্পতিবার রায়ে একমাত্র আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।
রায়ের পর আদালত কক্ষেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন দুলাল। তিনি বলেন, কষ্টে আমার বুক ফেঁটে যাচ্ছে। ত্রিশ বছর এই মিথ্যা মামলার জন্য কত কষ্ট করেছি। প্রতি এক/দুই মাস পর পর ঢাকায় এসেছি। আজ আমি দায় থেকে মুক্ত হলাম। এতদিন আমার বুকের ওপর জগদ্দল পাথর চেপে বসেছিল।
অপর আসামি দুদু মিয়া প্যারালাইজড অবস্থায় দীর্ঘ রোগভোগের পর ২০১৯ সালে মারা যান। ১৯৯৪ সালে এ মামলাটির বিচার শুরু হলেও গত ২৫ বছরে মামলার কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ। আইনজীবীরা বলছেন, আদালতে সাক্ষী হাজির করার দায়িত্ব পুলিশের।




















