ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৮ তারিখ সকালে এমপিদের, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ গোপন প্রেম, গোপন বিয়ে থেকে করুণ পরিণতি আলোঝলমলে জীবন আর করুণ সমাপ্তি নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, থাকবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা   সার্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি অপরাধ দমনে কঠোর বার্তায় আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর হামলায় নিহত অন্তত ৩২ যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুণ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি অনিশ্চিত নতুন সরকারের শপথে থাকবেন প্রায় এক হাজার অতিথি

তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, থাকবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা  

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন ওম বিড়লা এছাড়া, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারতবাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের প্রতিফলন এবং দুই দেশের অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের অবিচল অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্তি।

ভারত সরকার প্রতিবেশী অংশীদার রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরকে স্বাগত জানিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানএর নেতৃত্বে নবগঠিত সরকার আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ করবে।

শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ভুটান।

কূটনৈতিক মহলে আয়োজনকে বাংলাদেশ আঞ্চলিক অংশীদারদের মধ্যে বহুমাত্রিক সহযোগিতা জোরদারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, থাকবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা  

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন ওম বিড়লা এছাড়া, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারতবাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের প্রতিফলন এবং দুই দেশের অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের অবিচল অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্তি।

ভারত সরকার প্রতিবেশী অংশীদার রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরকে স্বাগত জানিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানএর নেতৃত্বে নবগঠিত সরকার আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ করবে।

শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ভুটান।

কূটনৈতিক মহলে আয়োজনকে বাংলাদেশ আঞ্চলিক অংশীদারদের মধ্যে বহুমাত্রিক সহযোগিতা জোরদারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।