ডিম ছাড়তে ঝাকে ঝাকে মা ইলিশ আসছে বাংলাদেশের নদ-নদীতে
- আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১ ২৬১ বার পড়া হয়েছে
মা ইলিশ স্রোতের বিপরীতে প্রতিদিন ৭২ কিলোমিটার পথ পারি দিচ্ছে
মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। এবারে অভিযানে প্রথম বারের মতো সমন্বিত বাহিনীর সঙ্গে বিমান বাহিনীও যুক্ত হয়েছে। ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই অভিযান
চলবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে নৌ-পুলিশ এ বছর নদীতে ভাসমান ফাঁড়ি পরিচালনা করার পাশাপাশি সার্বক্ষণিক একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখবে। বিমান বাহিনী আকাশপথে নজরদারি বাড়াবে এবং
রাতের বেলা টহল জোরদার করবে। নৌবাহিনীর ৯টি জাহাজ অভিযান পরিচালনা করবে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক আধিকারীক ও এশিয়ার অন্যতম ইলিশ
গবেষক ড. আনিসুর রহমান জানান, এরই মধ্যে প্রতিদিন স্রোতের বিপরীতে ৭২ কিলোমিটারের পথ পেরিয়ে নদ-নদীতে মা ইলিশ আসতে শুরু করেছে। মা ইলিশ নদ-নদীতে নিরাপদে ডিম
ছেড়ে ফের সাগরে ফিরে যাবে। মা ইলিশের আসা-যাওয়া এবং ডিম ছাড়া শেষে নিরাপদে সাগরে ফেরার বিষয়ে গবেষণাসহ নানা রকমের তথ্যউপাত্ত সংগ্রহ ইত্যাদি কাজে একাধিক গবেষণা দল
নিয়োজিত রয়েছেন। চলতি বছর ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকাকালে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করেছে সরকার।
ভারতীয় জেলেদের বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরা রুখতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভারতীয় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করবে। স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বরফকল বন্ধ রাখা, বাজার মনিটরিং এবং স্থানীয় মৎস্যজীবী, রাজনৈতিক নেতা-জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে
সমন্বয় করে সচেতনতা ও প্রচারণামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ২২ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন অমান্যকারী ১ থেকে
সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।




















