ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত বড় চ্যালেঞ্জ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবারের দুই শিশুসহ ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-পরবর্তী হামলার প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলনের আমিরের সঙ্গে এক হাসিনায় নয়, জাতীয় স্বার্থে এগোবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধানের শীষে জোয়ার, দাঁড়িপাল্লায় উত্থান, দ্বিকক্ষ সংসদের পথে বাংলাদেশ টেকনাফে ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’, বিরল শিকার ঘিরে চাঞ্চল্য তারেক রহমানের জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৮ তারিখ সকালে এমপিদের, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ

টেকনাফে ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’, বিরল শিকার ঘিরে চাঞ্চল্য

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফে ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’, : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটিপাখি মাছ গভীর সমুদ্রের বিশাল আকৃতির মাছটি রবিবার সন্ধ্যায় টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা হলে তা দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। স্থানীয়ভাবে মাছটিমাইট্যা মাছনামেও পরিচিত।

মাছ কি পাখির মতো উড়তে পারে? না, উড়তে না পারলেও এর পিঠের উপরের লম্বা প্রসারিত পাখনাটি দেখতে অনেকটা পাখির ডানার মতো। বৈশিষ্ট্যের কারণেই জেলেদের মুখে মুখে এর নাম হয়েছেপাখি মাছ মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্ভবত সেলফিস (Sailfish) অথবা মার্লন প্রজাতির, যেগুলো বিলফিশ গোত্রের এবং বিশ্বের দ্রুততম সাঁতারু মাছের মধ্যে অন্যতম।

পূর্ণবয়স্ক সেলফিশ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে সক্ষম বলে গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে।

ট্রলার মালিক শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার সকালে ১১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে তার ট্রলারটি সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেন্টমার্নের এর পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ে।

বন্দরে আনার পর ওজন করে দেখা যায় মাছটির ওজন প্রায় ২০০ কেজি। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমের কাছে ৪০ হাজার টাকায় এটি বিক্রি করা হয়। টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফ দিয়ে মাছটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয় বাজারে উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন হওয়ায় বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অধিক লাভের আশায় মাছটি চট্টগ্রামের বাজারে পাঠানো হয়েছে।

মৎস্য কর্মকর্তারা জানান, গভীর সমুদ্রে বড় জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন সাগরের স্রোতের পরিবর্তনের কারণে মাঝেমধ্যে এমন গভীর সমুদ্রের মাছ উপকূলীয় এলাকায় চলে আসে।

ধরনের মাছ ধরা পড়া স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হলেও প্রজননক্ষম বড় মাছ সংরক্ষণের বিষয়েও সচেতনতা প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টেকনাফে ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’, বিরল শিকার ঘিরে চাঞ্চল্য

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটিপাখি মাছ গভীর সমুদ্রের বিশাল আকৃতির মাছটি রবিবার সন্ধ্যায় টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা হলে তা দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। স্থানীয়ভাবে মাছটিমাইট্যা মাছনামেও পরিচিত।

মাছ কি পাখির মতো উড়তে পারে? না, উড়তে না পারলেও এর পিঠের উপরের লম্বা প্রসারিত পাখনাটি দেখতে অনেকটা পাখির ডানার মতো। বৈশিষ্ট্যের কারণেই জেলেদের মুখে মুখে এর নাম হয়েছেপাখি মাছ মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্ভবত সেলফিস (Sailfish) অথবা মার্লন প্রজাতির, যেগুলো বিলফিশ গোত্রের এবং বিশ্বের দ্রুততম সাঁতারু মাছের মধ্যে অন্যতম।

পূর্ণবয়স্ক সেলফিশ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে সক্ষম বলে গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে।

ট্রলার মালিক শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার সকালে ১১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে তার ট্রলারটি সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেন্টমার্নের এর পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ে।

বন্দরে আনার পর ওজন করে দেখা যায় মাছটির ওজন প্রায় ২০০ কেজি। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমের কাছে ৪০ হাজার টাকায় এটি বিক্রি করা হয়। টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফ দিয়ে মাছটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয় বাজারে উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন হওয়ায় বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অধিক লাভের আশায় মাছটি চট্টগ্রামের বাজারে পাঠানো হয়েছে।

মৎস্য কর্মকর্তারা জানান, গভীর সমুদ্রে বড় জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন সাগরের স্রোতের পরিবর্তনের কারণে মাঝেমধ্যে এমন গভীর সমুদ্রের মাছ উপকূলীয় এলাকায় চলে আসে।

ধরনের মাছ ধরা পড়া স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হলেও প্রজননক্ষম বড় মাছ সংরক্ষণের বিষয়েও সচেতনতা প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন।