ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না

জলমগ্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে আবারও বাড়তে শুরু করেছে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ছে। কারণ উজানের পাহাড়ি ঢল। তিস্তার পানি কমলেও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলা, দুধকুমার ও গঙ্গাধর নদের পানি কমছে। পানি বাড়ায় ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। নদের তীরবর্তী জমির ফসল ডুবে গেছে। তলিয়ে গেছে গবাদি পশুর চারণভূমি। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সংকট।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি নূন খাওয়া পয়েন্টে বেড়ে বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার, ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে কমে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ও দুধকুমারের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে কমে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে কমে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বুধবার সদরের পোড়ার চর, খেয়ার আলগা, ভগবতীপুর ও চিড়া খাওয়ার চরে দেখা যায়, শৌচাগার ডুবে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। এ ছাড়া সেখানে বিশুদ্ধ পানির সংকট। চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় গোখাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার। কেউ কেউ ত্রাণ পেলেও অধিকাংশই না পাওয়ার অভিযোগ করেন।

পোড়ার চরের বাসিন্দা হাজরা বেওয়া বলেন, পাঁচ দিন হয় বানের পানিত পায়খানা ডুবি গেইছে। খাবার পানির কলও তলে আছে। খেয়ার আলগা চরের বাসিন্দা আলো খাতুন বলেন, স্বামী বাড়িত নাই, শহরে কাজে গেছে। বাচ্চা ৩টা ছোট। তাদের ধরে নিজে নৌকা চালায় যাচ্ছি। কী করব, চলাফেরা তো করা নাগবে।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার প্রায় ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া বলেন, এলাকার কয়েকটা চরে ব্রহ্মপুত্রের পানিতে প্রায় ৭০০ পরিবার পানিবন্দি। সরকারের থেকে পাওয়া ৪ টন চাল পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, বন্যার জন্য বরাদ্দ ৩৬২ টন চাল, ৫ লাখ নগদ টাকা ও ৩ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার উপজেলাভিত্তিক চাহিদামতো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেসব বিতরণের কাজ চলমান। শিশুখাদ্য বাবদ ২ লাখ ও গোখাদ্য কেনা বাবদ ৫ লাখ টাকা মজুত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জলমগ্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব

আপডেট সময় : ১০:১৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ছে। কারণ উজানের পাহাড়ি ঢল। তিস্তার পানি কমলেও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলা, দুধকুমার ও গঙ্গাধর নদের পানি কমছে। পানি বাড়ায় ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। নদের তীরবর্তী জমির ফসল ডুবে গেছে। তলিয়ে গেছে গবাদি পশুর চারণভূমি। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সংকট।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি নূন খাওয়া পয়েন্টে বেড়ে বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার, ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে কমে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ও দুধকুমারের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে কমে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে কমে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বুধবার সদরের পোড়ার চর, খেয়ার আলগা, ভগবতীপুর ও চিড়া খাওয়ার চরে দেখা যায়, শৌচাগার ডুবে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। এ ছাড়া সেখানে বিশুদ্ধ পানির সংকট। চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় গোখাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার। কেউ কেউ ত্রাণ পেলেও অধিকাংশই না পাওয়ার অভিযোগ করেন।

পোড়ার চরের বাসিন্দা হাজরা বেওয়া বলেন, পাঁচ দিন হয় বানের পানিত পায়খানা ডুবি গেইছে। খাবার পানির কলও তলে আছে। খেয়ার আলগা চরের বাসিন্দা আলো খাতুন বলেন, স্বামী বাড়িত নাই, শহরে কাজে গেছে। বাচ্চা ৩টা ছোট। তাদের ধরে নিজে নৌকা চালায় যাচ্ছি। কী করব, চলাফেরা তো করা নাগবে।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার প্রায় ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া বলেন, এলাকার কয়েকটা চরে ব্রহ্মপুত্রের পানিতে প্রায় ৭০০ পরিবার পানিবন্দি। সরকারের থেকে পাওয়া ৪ টন চাল পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, বন্যার জন্য বরাদ্দ ৩৬২ টন চাল, ৫ লাখ নগদ টাকা ও ৩ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার উপজেলাভিত্তিক চাহিদামতো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেসব বিতরণের কাজ চলমান। শিশুখাদ্য বাবদ ২ লাখ ও গোখাদ্য কেনা বাবদ ৫ লাখ টাকা মজুত আছে।