ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং এর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর। জামায়াতে ইসলামীর দাবি, গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে।

দেশের মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। কিন্তু পরিকল্পিত ডিজাইনে ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যারা সংস্কার নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি করছে তারাই নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করছে।

দেশের অধিকাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় জানিয়ে এই নেতা বলেন, একটি দল পিআর সম্পর্কে জেনেও না জানার ভান করছে। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে জামায়াত আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন নেতারা।

বুধবার ঢাকা মহানগর জামায়াত (উত্তর ও দক্ষিণ) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।

তাহের বলেন, এদেশের মানুষ গত ৫৪ বছর কোনো নির্বাচন দেখে নাই। এবার মানুষ আশা করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমরা ইলেকশন চাই, সিলেকশন চাই না।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংস্কার জরুরি। প্রধান উপদেষ্টাও বলেছেন। মাসের পর মাস, সংস্কার কমিশন করে আমাদের প্রচুর সময় নিয়েছেন, ব্রেইন স্টর্মিং হয়েছে। সবকিছুতে ঐকমত্য হওয়ার পর তারা বলছেন? এটার কোনো আইনি ভিত্তি নাই। আইনি ভিত্তি যদি না থাকে তাহলে সংস্কার কী হয়েছে?

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ঈমানের তিন স্তর। ঐকমত্য পোষণ, আইনি মর্যাদা প্রদান ও কার্যকরকরণ! সরকার মুখেই মানছে, বাকি দুটিতে মানে নাই। তাহলে কি ঈমান আনছে? সংস্কার হইছে? হয় নাই। অথচ সংস্কার জরুরি এটা তো সরকারই বলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং এর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর। জামায়াতে ইসলামীর দাবি, গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে।

দেশের মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। কিন্তু পরিকল্পিত ডিজাইনে ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যারা সংস্কার নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি করছে তারাই নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করছে।

দেশের অধিকাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় জানিয়ে এই নেতা বলেন, একটি দল পিআর সম্পর্কে জেনেও না জানার ভান করছে। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে জামায়াত আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন নেতারা।

বুধবার ঢাকা মহানগর জামায়াত (উত্তর ও দক্ষিণ) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।

তাহের বলেন, এদেশের মানুষ গত ৫৪ বছর কোনো নির্বাচন দেখে নাই। এবার মানুষ আশা করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমরা ইলেকশন চাই, সিলেকশন চাই না।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংস্কার জরুরি। প্রধান উপদেষ্টাও বলেছেন। মাসের পর মাস, সংস্কার কমিশন করে আমাদের প্রচুর সময় নিয়েছেন, ব্রেইন স্টর্মিং হয়েছে। সবকিছুতে ঐকমত্য হওয়ার পর তারা বলছেন? এটার কোনো আইনি ভিত্তি নাই। আইনি ভিত্তি যদি না থাকে তাহলে সংস্কার কী হয়েছে?

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ঈমানের তিন স্তর। ঐকমত্য পোষণ, আইনি মর্যাদা প্রদান ও কার্যকরকরণ! সরকার মুখেই মানছে, বাকি দুটিতে মানে নাই। তাহলে কি ঈমান আনছে? সংস্কার হইছে? হয় নাই। অথচ সংস্কার জরুরি এটা তো সরকারই বলছে।