ঢাকা ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশজুড়ে গণবিদ্রোহের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেনাবাহিনীর তরফেও তাঁকে পদত্যাগের অনুরোধ করা হয়েছিল।

রোববার থেকে শুরু হয় আন্দোলন এবং সোমবার তা রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে কারফিউ অমান্য করে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থী-জনতা। শুরুর দিকে এই বিক্ষোভে শীর্ষ দাবি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি এলেও বর্তমানে এটি প্রায় পুরোপুরি সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে এখনও পর্যন্ত ২০ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বহু সংখ্যক। এর আগে বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক।

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা
গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

সূত্রের খবর, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এর পর সেনাবাহিনীর কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান ওলি। তার পরেই পদত্যাগ করেন।

ওলির পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যেরাও বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। মন্ত্রীদের অনেকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। ওলির ব্যক্তিগত বাসভবনেও আগুন ধরানো হয়েছে। সূত্রের খবর, দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছেন ওলি। তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। তবে এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।

বিক্ষোভের মাঝে এ বার কি পালানোর পরিকল্পনা করছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি? সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের শেখ হাসিনার মতোই তিনি দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র উল্লেখ করে ইন্ডিয়া টুডে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইতিমধ্যে গণবিক্ষোভের চাপে পড়ে ওলি ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। সূত্রের আরও দাবি, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। জবাবে ওলি জানিয়েছেন, নিরাপদে তাঁকে দেশ ছাড়ার বন্দোবস্ত করে দেওয়া হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশজুড়ে গণবিদ্রোহের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেনাবাহিনীর তরফেও তাঁকে পদত্যাগের অনুরোধ করা হয়েছিল।

রোববার থেকে শুরু হয় আন্দোলন এবং সোমবার তা রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে কারফিউ অমান্য করে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থী-জনতা। শুরুর দিকে এই বিক্ষোভে শীর্ষ দাবি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি এলেও বর্তমানে এটি প্রায় পুরোপুরি সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে এখনও পর্যন্ত ২০ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বহু সংখ্যক। এর আগে বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক।

গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা
গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির ইস্তফা

সূত্রের খবর, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এর পর সেনাবাহিনীর কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান ওলি। তার পরেই পদত্যাগ করেন।

ওলির পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যেরাও বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। মন্ত্রীদের অনেকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। ওলির ব্যক্তিগত বাসভবনেও আগুন ধরানো হয়েছে। সূত্রের খবর, দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছেন ওলি। তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। তবে এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।

বিক্ষোভের মাঝে এ বার কি পালানোর পরিকল্পনা করছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি? সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের শেখ হাসিনার মতোই তিনি দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে তাঁর গন্তব্য হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র উল্লেখ করে ইন্ডিয়া টুডে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইতিমধ্যে গণবিক্ষোভের চাপে পড়ে ওলি ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। সূত্রের আরও দাবি, নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। জবাবে ওলি জানিয়েছেন, নিরাপদে তাঁকে দেশ ছাড়ার বন্দোবস্ত করে দেওয়া হোক।