ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সিইসি, ড. ইউনূস ও বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগী সরকার: কৃষক-উদ্যোক্তা উৎসাহিত হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নন্দনে নিউজ কলকাতার ত্রৈমাসিক সাহিত্য অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু : স্বনির্ভর দেশ গড়ার ডাক প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদের নতুন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস, দেশবাসীর দোয়া চাইলেন আফরোজা আব্বাস ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

এক লাখ টন আম রফতানির নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৫ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়। অথচ রফতানি হয় মাত্র কয়েকশ’ মেট্রিক টন’

প্রতি বছর কমপক্ষে ১ লাখ মেট্রিক টন আম রপ্তানির নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, এজন্য নিজেদের তৈরি করা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের

মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের জন্য কৃষি মন্ত্রক ও এর অধীন বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। সোমবার ঢাকার খামারবাড়িতে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে

হর্টেক্স ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আম রফতানি বৃদ্ধির জন্য আমের উন্নত ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৫ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়। অথচ রফতানি হয় মাত্র কয়েকশ’ মেট্রিক টন। বছরে এক লাখ টন আম রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমাদের কাজ ৎ

করতে হবে। সে লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকর্তার সমন্বয়ে কমিটি গঠন, রোডম্যাপ প্রণয়ন ও আমের নতুন বাজার খুঁজে বের করতে বিভিন্ন বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যেতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমের রফতানি বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। রফতানির বাধাসমূহ চিহ্নিত করে তা নিরসনে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে নিরাপদ আমের নিশ্চয়তা দিতে ৩টি ভ্যাকুয়াম

হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। উৎপাদন থেকে শিপমেন্ট পর্যন্ত আম নিরাপদ রাখতে উত্তম কৃষিচর্চা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট দেওয়ার কাজ চলছে। এর

ফলে চলতি বছর গত বছরের তুলনায় আম রফতানি ৫ গুণ বেড়েছে। আগামীতে অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। বিশেষ

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো. বখতিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ এবং এনএটিপি-২ প্রকল্পের পরিচালক মো. মতিয়ার রহমান প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এক লাখ টন আম রফতানির নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:১০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১

‘বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৫ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়। অথচ রফতানি হয় মাত্র কয়েকশ’ মেট্রিক টন’

প্রতি বছর কমপক্ষে ১ লাখ মেট্রিক টন আম রপ্তানির নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, এজন্য নিজেদের তৈরি করা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের

মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের জন্য কৃষি মন্ত্রক ও এর অধীন বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। সোমবার ঢাকার খামারবাড়িতে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে

হর্টেক্স ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আম রফতানি বৃদ্ধির জন্য আমের উন্নত ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৫ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়। অথচ রফতানি হয় মাত্র কয়েকশ’ মেট্রিক টন। বছরে এক লাখ টন আম রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমাদের কাজ ৎ

করতে হবে। সে লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকর্তার সমন্বয়ে কমিটি গঠন, রোডম্যাপ প্রণয়ন ও আমের নতুন বাজার খুঁজে বের করতে বিভিন্ন বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যেতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমের রফতানি বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। রফতানির বাধাসমূহ চিহ্নিত করে তা নিরসনে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে নিরাপদ আমের নিশ্চয়তা দিতে ৩টি ভ্যাকুয়াম

হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। উৎপাদন থেকে শিপমেন্ট পর্যন্ত আম নিরাপদ রাখতে উত্তম কৃষিচর্চা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট দেওয়ার কাজ চলছে। এর

ফলে চলতি বছর গত বছরের তুলনায় আম রফতানি ৫ গুণ বেড়েছে। আগামীতে অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। বিশেষ

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো. বখতিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ এবং এনএটিপি-২ প্রকল্পের পরিচালক মো. মতিয়ার রহমান প্রমুখ।