ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৮ তারিখ সকালে এমপিদের, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ গোপন প্রেম, গোপন বিয়ে থেকে করুণ পরিণতি আলোঝলমলে জীবন আর করুণ সমাপ্তি নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, থাকবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা   সার্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি অপরাধ দমনে কঠোর বার্তায় আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর হামলায় নিহত অন্তত ৩২ যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুণ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি অনিশ্চিত নতুন সরকারের শপথে থাকবেন প্রায় এক হাজার অতিথি

অপরাধ দমনে কঠোর বার্তায় আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

অপরাধ দমনে কঠোর বার্তায় আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দায়িত্ব পালনে অবহেলা, পক্ষপাত বা শৈথিল্যের কোনো সুযোগ নেই

নির্বাচন-পরবর্তী সম্ভাব্য সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ও সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংবিধান ও প্রচলিত আইনের আলোকে যেকোনো ধরনের নাশকতা, প্রতিহিংসামূলক হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, দখলচেষ্টা বা জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর স্পষ্ট করেছে, দণ্ডবিধি, বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি বিধান অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু, গ্রেপ্তার এবং দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্য বা সহিংসতায় প্ররোচনার ক্ষেত্রেও সাইবার আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে, দায়িত্ব পালনে অবহেলা, পক্ষপাত বা শৈথিল্যের কোনো সুযোগ নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। সংখ্যালঘু ও দুর্বল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পরাজিত ও বিজয়ী পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে মধ্যস্থতা ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। প্রতিটি থানাকে নিজ নিজ এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক অঙ্গীকার এবং তা বাস্তবায়নই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো প্রকার অপরাধমূলক তৎপরতার ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

আইনভিত্তিক এই কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে এবং রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অপরাধ দমনে কঠোর বার্তায় আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ১২:১৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দায়িত্ব পালনে অবহেলা, পক্ষপাত বা শৈথিল্যের কোনো সুযোগ নেই

নির্বাচন-পরবর্তী সম্ভাব্য সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ও সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংবিধান ও প্রচলিত আইনের আলোকে যেকোনো ধরনের নাশকতা, প্রতিহিংসামূলক হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, দখলচেষ্টা বা জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর স্পষ্ট করেছে, দণ্ডবিধি, বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি বিধান অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু, গ্রেপ্তার এবং দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্য বা সহিংসতায় প্ররোচনার ক্ষেত্রেও সাইবার আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে, দায়িত্ব পালনে অবহেলা, পক্ষপাত বা শৈথিল্যের কোনো সুযোগ নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। সংখ্যালঘু ও দুর্বল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পরাজিত ও বিজয়ী পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে মধ্যস্থতা ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। প্রতিটি থানাকে নিজ নিজ এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক অঙ্গীকার এবং তা বাস্তবায়নই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো প্রকার অপরাধমূলক তৎপরতার ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

আইনভিত্তিক এই কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে এবং রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হবে।