১৯৮৫ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন শামসুজ্জামান দুদু। তিনি এবার চুয়াডাঙ্গা-১ আসন থেকে প্রার্থী হবেন। ১৯৮৭-৯০ মেয়াদে সভাপতি থাকা ড. আসাদুজ্জামান রিপন মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এলাকাবাসীর নানা সমস্যা সমাধানে সক্রিয় থেকে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন।
১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আহ্বায়ক ছিলেন আমানউল্লাহ আমান। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এই নেতা এবারও প্রার্থী হচ্ছেন। ১৯৯২ সালে নির্বাচিত সভাপতি রুহুল কবির রিজভী আহমেদ রাজশাহী-২ অথবা ঢাকা-১৩ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।
১৯৯৩-৯৬ মেয়াদের সভাপতি ফজলুল হক মিলন গাজীপুর-৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে। ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুর-২ এবং শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন।
মুন্সীগঞ্জ-১ থেকে মীর সরফত আলী সপু, ঢাকা-৯ থেকে হাবীব উন নবী খান সোহেল, খুলনা-৩ থেকে রকিবুল ইসলাম বকুল এবং ঝিনাইদহ-৪ থেকে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ প্রার্থী হবেন। মাদারীপুর-২ থেকে মনোনয়ন চাইবেন সাবেক সহসভাপতি হেলেন জেরিন খান।
২০০৩-০৪ মেয়াদের সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল খুলনা-৪, আর কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম বাগেরহাট থেকে প্রার্থী হতে চান। ২০০৯-২০১২ মেয়াদের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
২০১২-২০১৫ মেয়াদের সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল নরসিংদী-৪ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান নরসিংদী-৩ এবং সভাপতি রাজীব আহসান বরিশাল-৪ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে চান।
২০১৯-২০২২ মেয়াদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন বগুড়া-৫ এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল নরসিংদী-৫ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন। একই কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নওয়াজ নোয়াখালী-৬ আসনের প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে।
বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ময়মনসিংহ-৫ এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির নোয়াখালী-৫ আসনে প্রার্থী হতে চান। এছাড়া কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া বান্দরবান, সহসভাপতি নিজাম উদ্দিন সুনামগঞ্জ-১, হাফিজুল্লাহ হিরা কিশোরগঞ্জ-৪ এবং রেজোয়ানুল হক সবুজ বাগেরহাট-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মকে আনতে হলে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রার্থীদের যোগ্যতা, আন্দোলনে ভূমিকা ও দলের প্রতি নিষ্ঠার মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।”