ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন কোদাল হাতে খাল খননে প্রধানমন্ত্রী, কৃষিতে স্বনির্ভরতার ডাক ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল ইরান ভারতের ‘বৃক্ষমাতা’ তুলসী গৌড়া, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহাবস্থানের অনন্য নজির ঈদে মহাসড়কে কড়াকড়ি, ৭ দিন বন্ধ থাকবে ট্রাক-লরি চলাচল নেতানিয়াহুর বেঁচে থাকার প্রমাণ ভুয়া নাকি আসল? ৫ আঙুল দেখানো ভিডিওই ডিপফেক? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধমঞ্চে ইরানের দাপট, পাল্টে গেল হিসাব! জিয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আবারও খাল খনন শুরু করলেন তারেক রহমান ক্যামেলী পালের কবিতা ‘চাইলেই কি যাওয়া যায়’ ধর্মপাশায় বৃষ্টিতে স্বস্তি, প্রাণ ফিরে পেল বোরো আবাদ

মার্কিন কূটনীতিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-প্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। দূতাবাস ও কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার যে বাধ্যবাধকতা আছে, তা বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ঢাকায় কূটনীতিকদের ‘বাড়তি নিরাপত্তা প্রত্যাহার’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, আমি মার্কিন দূতাবাস বা কর্মীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশদ বিবরণ দিতে চাচ্ছি না।  কিন্তু আমি বলতে চাই, ভিয়েনা কনভেনশন অনুসারে যেকোনো আয়োজক দেশকে অবশ্যই সমস্ত কূটনৈতিক মিশন প্রাঙ্গণ এবং কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বাধ্যবাধকতাগুলো বজায় রাখতে হবে।

দূতাবাসের কর্মীদের ওপর কোনো আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, সৌদিআরবসহ ছয় দেশের রাষ্ট্রদূত বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। তবে এখন থেকে তারা এটা আর পাবেন না বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সোমবার তিনি জানান, এখন থেকে বিদেশি রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনাররা আর বাড়তি প্রটোকল সুবিধা পাবেন না। তবে কেউ নিতে চাইলে তিনি ভাড়া করতে পারবেন। বিদেশমন্ত্রী ড. মোমেন জানান, আমাদের দেশে চলাফেরার জন্য কয়েকটা দেশকে বিশেষ নিরাপত্তা ফোর্স দেওয়া হয়ে থাকে। তবে অনেক উন্নত দেশে এটা দেওয়া হয় না। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, সৌদি আরবে এ সুবিধা দেওয়া হয় না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আর কাউকে এ সুবিধা দেব না।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন কূটনীতিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৮:০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-প্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। দূতাবাস ও কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার যে বাধ্যবাধকতা আছে, তা বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ঢাকায় কূটনীতিকদের ‘বাড়তি নিরাপত্তা প্রত্যাহার’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, আমি মার্কিন দূতাবাস বা কর্মীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশদ বিবরণ দিতে চাচ্ছি না।  কিন্তু আমি বলতে চাই, ভিয়েনা কনভেনশন অনুসারে যেকোনো আয়োজক দেশকে অবশ্যই সমস্ত কূটনৈতিক মিশন প্রাঙ্গণ এবং কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বাধ্যবাধকতাগুলো বজায় রাখতে হবে।

দূতাবাসের কর্মীদের ওপর কোনো আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, সৌদিআরবসহ ছয় দেশের রাষ্ট্রদূত বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। তবে এখন থেকে তারা এটা আর পাবেন না বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সোমবার তিনি জানান, এখন থেকে বিদেশি রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনাররা আর বাড়তি প্রটোকল সুবিধা পাবেন না। তবে কেউ নিতে চাইলে তিনি ভাড়া করতে পারবেন। বিদেশমন্ত্রী ড. মোমেন জানান, আমাদের দেশে চলাফেরার জন্য কয়েকটা দেশকে বিশেষ নিরাপত্তা ফোর্স দেওয়া হয়ে থাকে। তবে অনেক উন্নত দেশে এটা দেওয়া হয় না। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, সৌদি আরবে এ সুবিধা দেওয়া হয় না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আর কাউকে এ সুবিধা দেব না।