ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনে জনগণের আস্থা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ ড. ইউনূসের আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি: সালাহউদ্দিন আহমদ হাসিনা আপনাদের রেখে ভারতে পালিয়েছেন, জনগণকে রেখে গেছেন বিপদে: মির্জা ফখরুল একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: তারেক রহমান দুই সন্তানকে বুকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ, মুহূর্তেই নিভে গেল মায়ের পৃথিবী নির্বাচন উপলক্ষে টানা ৩ দিনের ছুটি, ভোটের আমেজে দেশ আদানির সঙ্গে চুক্তি জাতীয় স্বার্থবিরোধী, বছরে বাড়তি নিচ্ছে ৫-৬ হাজার কোটি টাকা মানবতাবিরোধী অপরাধ: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড ফুটবলের পর ফুটসালেও সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, সাবিনাকে নিয়ে গর্বিত বাফুফে সভাপতি নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি, ভারতের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ বাংলাদেশের

বাইডেনের জীবন বাঁচানো আফগান দোভাষী আমান খালিলি যেভাবে উদ্ধার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১ ২২২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০০৮ সালে তুষারঝড় থেকে উদ্ধার হওয়া তৎকালীন মার্কিন সিনেটর জো বাইডেন, জন কেরি ও চাক হ্যাগেলছবি: টুইটার

তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তান থেকে আমান খালিলি নামের এক দোভাষীকে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছিল পাকিস্তান। দোভাষী খালিলি ১৩ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও তৎকালীন সিনেটর জো বাইডেন ও আরও দুজন মার্কিন সিনেটরকে তুষারঝড়

থেকে উদ্ধার করেছিলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ডন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা দ্য হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন আফগান

বংশোদ্ভূত দু’জন মার্কিনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই বেসরকারি সংস্থা আফগানিস্তান থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার তত্ত্বাবধানে ছিল। দ্য হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন যুক্তরাষ্ট্রের

সংবাদমাধ্যমকে জানায়, তারা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রতি কৃতজ্ঞ। আফগানিস্তান থেকে আমান খালিলি ও তাঁর পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ইমরান খান

অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করেছেন। কোয়ালিশন বিবৃতিতে আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, কংগ্রেসম্যান জেফ ফোর্টেনবেরি, সিনেটর ক্রিস কুন, টাস্কফোর্স

ইসলামাবাদের পরিচালক মার্ক টেরকোয়েস্কি ও অন্যরা আমান খালিলি নামের দোভাষী ও তাঁর পরিবারকে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নিতে কোয়ালিশনকে সহায়তা করেছিলেন।

২০০৮ সালে তুষারঝড়ের কবলে পড়ে তৎকালীন সিনেটর জো বাইডেনকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জরুরি অবতরণ করে। হেলিকপ্টারে নেব্রাস্কার

সিনেটর চাক হ্যাগেল ও ম্যাসাচুসেটসের সিনেটর জন কেরিও ছিলেন। সে সময় বাইডেন ও তাঁর সঙ্গীদের উদ্ধারে সহায়তা করেন খালিলি। গত ৩১ আগস্ট খালিলি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাধ্যমে

বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে একটি বার্তা দেন। তিনি বাইডেনকে বলেন, হ্যালো মি. প্রেসিডেন্ট, আমাকে ও আমার পরিবারকে বাঁচান। তিনি আরও বলেন, আমাকে ভুলে

আফগানিস্তানে রেখে যাবেন না। ওই দিনই চূড়ান্ত পর্যায়ে মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল। সে সময় পাকিস্তানের বেসরকারি সংস্থা দ্য হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন

খালিলি ও তার পরিবারকে মাজার-ই-শরিফ থেকে কাবুলে নিয়ে যায়। এরপর তাদের আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পাকিস্তানের সহযোগিতায় খালিলি

ও তার পরিবারকে সীমান্ত পার করে ইসলামাবাদে নেওয়া হয়। কাতার থেকে আসা যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক উড়োজাহাজ তাদের ইসলামাবাদ থেকে নিয়ে আরেকটি নিরাপদ জায়গায় নিয়ে

যায়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন কর্মকর্তারা খালিলিকে প্রাথমিক পর্যায়ে উদ্ধারের জন্য পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পাকিস্তানের সহযোগিতায় মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে খালিলিকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাইডেনের জীবন বাঁচানো আফগান দোভাষী আমান খালিলি যেভাবে উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১

২০০৮ সালে তুষারঝড় থেকে উদ্ধার হওয়া তৎকালীন মার্কিন সিনেটর জো বাইডেন, জন কেরি ও চাক হ্যাগেলছবি: টুইটার

তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তান থেকে আমান খালিলি নামের এক দোভাষীকে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছিল পাকিস্তান। দোভাষী খালিলি ১৩ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও তৎকালীন সিনেটর জো বাইডেন ও আরও দুজন মার্কিন সিনেটরকে তুষারঝড়

থেকে উদ্ধার করেছিলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ডন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা দ্য হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন আফগান

বংশোদ্ভূত দু’জন মার্কিনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই বেসরকারি সংস্থা আফগানিস্তান থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার তত্ত্বাবধানে ছিল। দ্য হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন যুক্তরাষ্ট্রের

সংবাদমাধ্যমকে জানায়, তারা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রতি কৃতজ্ঞ। আফগানিস্তান থেকে আমান খালিলি ও তাঁর পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ইমরান খান

অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করেছেন। কোয়ালিশন বিবৃতিতে আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, কংগ্রেসম্যান জেফ ফোর্টেনবেরি, সিনেটর ক্রিস কুন, টাস্কফোর্স

ইসলামাবাদের পরিচালক মার্ক টেরকোয়েস্কি ও অন্যরা আমান খালিলি নামের দোভাষী ও তাঁর পরিবারকে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নিতে কোয়ালিশনকে সহায়তা করেছিলেন।

২০০৮ সালে তুষারঝড়ের কবলে পড়ে তৎকালীন সিনেটর জো বাইডেনকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জরুরি অবতরণ করে। হেলিকপ্টারে নেব্রাস্কার

সিনেটর চাক হ্যাগেল ও ম্যাসাচুসেটসের সিনেটর জন কেরিও ছিলেন। সে সময় বাইডেন ও তাঁর সঙ্গীদের উদ্ধারে সহায়তা করেন খালিলি। গত ৩১ আগস্ট খালিলি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাধ্যমে

বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে একটি বার্তা দেন। তিনি বাইডেনকে বলেন, হ্যালো মি. প্রেসিডেন্ট, আমাকে ও আমার পরিবারকে বাঁচান। তিনি আরও বলেন, আমাকে ভুলে

আফগানিস্তানে রেখে যাবেন না। ওই দিনই চূড়ান্ত পর্যায়ে মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল। সে সময় পাকিস্তানের বেসরকারি সংস্থা দ্য হিউম্যান ফার্স্ট কোয়ালিশন

খালিলি ও তার পরিবারকে মাজার-ই-শরিফ থেকে কাবুলে নিয়ে যায়। এরপর তাদের আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পাকিস্তানের সহযোগিতায় খালিলি

ও তার পরিবারকে সীমান্ত পার করে ইসলামাবাদে নেওয়া হয়। কাতার থেকে আসা যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক উড়োজাহাজ তাদের ইসলামাবাদ থেকে নিয়ে আরেকটি নিরাপদ জায়গায় নিয়ে

যায়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন কর্মকর্তারা খালিলিকে প্রাথমিক পর্যায়ে উদ্ধারের জন্য পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পাকিস্তানের সহযোগিতায় মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে খালিলিকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।