ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: ভারতীয় সেনা প্রধান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩ ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

৮৪তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে : আইএসপিআর

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিকে (বিএমএ) বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে।

মঙ্গলবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারির বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে ৮৪তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জেনারেল মনোজ পান্ডে বলেন, আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক অনেক পুরোনো এবং আমাদের ঐতিহাসিক বন্ধন আছে। আমাদের ভাষা-সংস্কৃতি ছাড়াও অন্য অনেক বিষয়ে মিল আছে। আর যদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা বলতে হয়- দুই দেশের একে অপরের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে তা প্রতিফলিত হয়। এটি সঠিক পথ ধরেই এগোচ্ছে, আর এ সম্পর্কের অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে।

সামরিক সহযোগিতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। আর সামরিক সহযোগিতার জন্য আমরা তিন-চারটি বিষয়ে বিশেষ জোর দিচ্ছি। প্রথমটি অবশ্যই দুই দেশের সেনাদের যৌথ প্রশিক্ষণ, যাতে তারা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হন।

তারপর রয়েছে দুই দেশের যৌথ মহড়া। আমরা দুই দেশের সেনা সদস্যদের নিয়ে যৌথ মহড়া আয়োজন করে থাকি যাতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। এই পরিদর্শনের মতো আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রায়ই পরিদর্শন করে থাকি।

এ ছাড়াও আমরা সাংস্কৃতিক পরিদর্শনও করে থাকি যাতে দুই দেশের সেনা সদস্যদের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়। আর সবশেষে, দুই দেশের যৌথ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি ও উৎপাদনে অনেক ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথে এটি একটি সম্ভাবনাময় দিক। তিনি বলেন, আমি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি, বিএমএর কমান্ড্যান্ট আমাকে ব্রিফ করেছেন। সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঘুরে দেখিয়েছেন।

সব দেখার পর আমি বলতে চাই, এটি একটি বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রশিক্ষণগত দিক দিয়ে বলতে চাই, আমার মনে হয় পেশাগত সামরিক শিক্ষা নেতৃত্বের পাশাপাশি একাডেমিকের একটি ভালো সামঞ্জস্য রয়েছে।

প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে উন্নয়ন সাধনের জন্য অনেক নতুন প্রযুক্তি আনা হয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে আমার মনে হয় সুযোগ সুবিধা, অবকাঠামো, প্রশাসন আর এলাকা সব মিলিয়েই মিলিটারি একাডেমির জন্য বিএমএ উপযুক্ত। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, কমান্ড্যান্ট বিএমএ এবং জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এ মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৮৪তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের বাংলাদেশি ১২৩ জন পুরুষ, ২৩ জন নারী, ১ জন দক্ষিণ সুদানের এবং ০১ জন তানজানিয়ার মিলে ১৪৮ জন অফিসার ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন। বিদেশি নবীন অফিসাররা স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: ভারতীয় সেনা প্রধান

আপডেট সময় : ১০:৫০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিকে (বিএমএ) বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে।

মঙ্গলবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারির বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে ৮৪তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জেনারেল মনোজ পান্ডে বলেন, আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক অনেক পুরোনো এবং আমাদের ঐতিহাসিক বন্ধন আছে। আমাদের ভাষা-সংস্কৃতি ছাড়াও অন্য অনেক বিষয়ে মিল আছে। আর যদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা বলতে হয়- দুই দেশের একে অপরের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে তা প্রতিফলিত হয়। এটি সঠিক পথ ধরেই এগোচ্ছে, আর এ সম্পর্কের অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে।

সামরিক সহযোগিতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। আর সামরিক সহযোগিতার জন্য আমরা তিন-চারটি বিষয়ে বিশেষ জোর দিচ্ছি। প্রথমটি অবশ্যই দুই দেশের সেনাদের যৌথ প্রশিক্ষণ, যাতে তারা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হন।

তারপর রয়েছে দুই দেশের যৌথ মহড়া। আমরা দুই দেশের সেনা সদস্যদের নিয়ে যৌথ মহড়া আয়োজন করে থাকি যাতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। এই পরিদর্শনের মতো আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রায়ই পরিদর্শন করে থাকি।

এ ছাড়াও আমরা সাংস্কৃতিক পরিদর্শনও করে থাকি যাতে দুই দেশের সেনা সদস্যদের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়। আর সবশেষে, দুই দেশের যৌথ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি ও উৎপাদনে অনেক ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথে এটি একটি সম্ভাবনাময় দিক। তিনি বলেন, আমি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি, বিএমএর কমান্ড্যান্ট আমাকে ব্রিফ করেছেন। সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঘুরে দেখিয়েছেন।

সব দেখার পর আমি বলতে চাই, এটি একটি বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রশিক্ষণগত দিক দিয়ে বলতে চাই, আমার মনে হয় পেশাগত সামরিক শিক্ষা নেতৃত্বের পাশাপাশি একাডেমিকের একটি ভালো সামঞ্জস্য রয়েছে।

প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে উন্নয়ন সাধনের জন্য অনেক নতুন প্রযুক্তি আনা হয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে আমার মনে হয় সুযোগ সুবিধা, অবকাঠামো, প্রশাসন আর এলাকা সব মিলিয়েই মিলিটারি একাডেমির জন্য বিএমএ উপযুক্ত। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, কমান্ড্যান্ট বিএমএ এবং জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এ মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৮৪তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের বাংলাদেশি ১২৩ জন পুরুষ, ২৩ জন নারী, ১ জন দক্ষিণ সুদানের এবং ০১ জন তানজানিয়ার মিলে ১৪৮ জন অফিসার ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন। বিদেশি নবীন অফিসাররা স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।