ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

ভারত পাকিস্তান সীমান্ত। প্রতীকী ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাশ্মীর হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারিতে গড়ালো। ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ শুক্রবার (২ মে) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাকিস্তানে উৎপন্ন বা সেখান থেকে কেবল রফতানিকৃত যে কোনও পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে ভারত সরকার। অবাধ আমদানি বা অন্য কোনও শর্তের আওতায় আমদানিযোগ্য হলেও পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়ার আগ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

এই নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জড়িত দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জননীতির স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভারত সরকারের অনুমোদন ব্যতীত এই আদেশে কোনও ব্যতিক্রম হবে না।

গত ২২ এপ্রিল ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন নেপালি পর্যটক ও একজন স্থানীয় ঘোড়া চালকও ছিলেন। এ হামলার সঙ্গে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসার পর দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা আরও বেড়ে যায়।

হিমালয়ের পাদদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরকে নিজেদের দখলে নিতে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই মরিয়া। এ অঞ্চল নিয়ে ইতোমধ্যে একাধিক যুদ্ধ, সশস্ত্র বিদ্রোহ এবং কূটনৈতিক সংঘর্ষ হয়েছে।

ভারত হামলার জন্য সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করলেও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। তারা বরং পাল্টা দাবি করেছে যে, হামলার পেছনে ভারতের ষড়যন্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে পাকিস্তানে ভারতের সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যও রয়েছে বলে তারা দাবি করছে।

সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে ভারত। ইন্দাস নদীর জলবণ্টন চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়া, পাকিস্তান মিশনের সামরিক পরামর্শকদের দেশত্যাগের আদেশ, বিমান চলাচলে বিধিনিষেধের পর এবার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো দিল্লি।

জবাবে পাকিস্তানও একাধিক পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ, ভারতীয় বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, ভারতীয় কূটনীতিক বহিষ্কারসহ আরও পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি ইসলামাবাদ হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ করতে ভারতের প্রচেষ্টা যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবে গণ্য করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

কাশ্মীর হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারিতে গড়ালো। ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ শুক্রবার (২ মে) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাকিস্তানে উৎপন্ন বা সেখান থেকে কেবল রফতানিকৃত যে কোনও পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে ভারত সরকার। অবাধ আমদানি বা অন্য কোনও শর্তের আওতায় আমদানিযোগ্য হলেও পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়ার আগ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

এই নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জড়িত দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জননীতির স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভারত সরকারের অনুমোদন ব্যতীত এই আদেশে কোনও ব্যতিক্রম হবে না।

গত ২২ এপ্রিল ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন নেপালি পর্যটক ও একজন স্থানীয় ঘোড়া চালকও ছিলেন। এ হামলার সঙ্গে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসার পর দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা আরও বেড়ে যায়।

হিমালয়ের পাদদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরকে নিজেদের দখলে নিতে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই মরিয়া। এ অঞ্চল নিয়ে ইতোমধ্যে একাধিক যুদ্ধ, সশস্ত্র বিদ্রোহ এবং কূটনৈতিক সংঘর্ষ হয়েছে।

ভারত হামলার জন্য সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করলেও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। তারা বরং পাল্টা দাবি করেছে যে, হামলার পেছনে ভারতের ষড়যন্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে পাকিস্তানে ভারতের সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যও রয়েছে বলে তারা দাবি করছে।

সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে ভারত। ইন্দাস নদীর জলবণ্টন চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়া, পাকিস্তান মিশনের সামরিক পরামর্শকদের দেশত্যাগের আদেশ, বিমান চলাচলে বিধিনিষেধের পর এবার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো দিল্লি।

জবাবে পাকিস্তানও একাধিক পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ, ভারতীয় বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, ভারতীয় কূটনীতিক বহিষ্কারসহ আরও পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি ইসলামাবাদ হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ করতে ভারতের প্রচেষ্টা যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবে গণ্য করা হবে।