ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি রত্নগর্ভা নুরজাহান বেগম:  এক ছাদের নিচে মৃত্যু, পোকা ধরার পরও মায়ের নিথর দেহের খবর জানলো না মেয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত দিল্লির  ভবনে ভয়াবহ আগুনে নিহত ২১, হতাহতের তালিকায় বাংলাদেশিও ভোক্তা পর্যায়ে  কমলো ১২ কেজি  এলপি গ্যাসের দাম বিদ্যুৎ ঘাটতি : সন্ধ্যায় ফের বন্ধ হচ্ছে শপিংমল-দোকানপাট রোহিঙ্গাদের জন্য ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ফিনল্যান্ড মায়ের টানে ৭৮ তলা সমান গভীর গুহা থেকে অলৌকিক ফেরা

পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার-কুয়াকাটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ১০২ বার পড়া হয়েছে

পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার-কুয়াকাটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, সমুদ্রসৈকতে দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

সভায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পরিচালিত ‘সি-সেইফ’ লাইফগার্ড সেবা কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, পর্যটকদের জীবনরক্ষায় বিদ্যমান নীতিমালার সংশোধন অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে কক্সবাজার ও পটুয়াখালী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদারে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট দুই জেলার জেলা প্রশাসকদের দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি লাইফগার্ড কর্মীর সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে হবে।

তিনি জানান, আপাতত করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করে লাইফগার্ড সেবা অব্যাহত রাখা হবে এবং ভবিষ্যতে স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়, আঘাত প্রতিরোধ ও গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতা সংস্থা রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতা সংস্থা রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশনের আর্থিক সহায়তায় আঘাত প্রতিরোধ ও গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে লাইফগার্ড সেবা পরিচালনা করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার-কুয়াকাটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, সমুদ্রসৈকতে দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

সভায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পরিচালিত ‘সি-সেইফ’ লাইফগার্ড সেবা কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, পর্যটকদের জীবনরক্ষায় বিদ্যমান নীতিমালার সংশোধন অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে কক্সবাজার ও পটুয়াখালী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদারে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট দুই জেলার জেলা প্রশাসকদের দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি লাইফগার্ড কর্মীর সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে হবে।

তিনি জানান, আপাতত করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করে লাইফগার্ড সেবা অব্যাহত রাখা হবে এবং ভবিষ্যতে স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়, আঘাত প্রতিরোধ ও গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতা সংস্থা রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতা সংস্থা রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশনের আর্থিক সহায়তায় আঘাত প্রতিরোধ ও গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে লাইফগার্ড সেবা পরিচালনা করে আসছে।