ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াত জুলাই সনদে আইনি ভিত্তি চায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াত জুলাই সনদে আইনি ভিত্তি চায় দলটি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় এবং একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি বলেন, আমরা কোনো জটিলতা চাই না। গণভোট আগে হতে হবে। নভেম্বরের শেষের দিকে গণভোট করা হোক। এরপরও জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য যথেষ্ট সময় থাকবে।

বুধবার  রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জামায়াত প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. তাহের জানান, জুলাই সনদ প্রসঙ্গে দলটির অবস্থান স্পষ্ট। তিনি বলেন, দীর্ঘ কয়েক মাসের আলোচনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে যে ঐকমত্যে পৌঁছানো গেছে, সেখানে কয়েকটি মৌলিক পয়েন্ট রয়েছে। এখন সবচেয়ে জরুরি হলো এই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া এবং বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করা।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের মধ্যে যে বিষয়গুলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো আগে বাস্তবায়ন করতে হবে। তারপর নির্বাচনের আয়োজন করলে তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

জামায়াতের নায়েবে আমির জানান, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে জুলাই সনদে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোকেই ভিত্তি ধরে আগানো হবে। আমাদের বলা হয়েছে, যেসব পয়েন্টে দলগুলো একমত হয়েছে, সেগুলো নিয়েই জুলাই সনদ গঠিত। আমরা সেই সনদে স্বাক্ষর করেছি।

বৈঠকে জামায়াত প্রতিনিধি দলে  উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, নীতিনির্ধারক ও নির্বাচনী বিষয়ক দায়িত্বশীল নেতারা। তাঁরা গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়ার ওপর জোর দেন এবং বলেন, গণভোটই হবে সুষ্ঠু রাজনৈতিক সমাধানের প্রথম ধাপ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াত জুলাই সনদে আইনি ভিত্তি চায়

আপডেট সময় : ০৯:২৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় এবং একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি বলেন, আমরা কোনো জটিলতা চাই না। গণভোট আগে হতে হবে। নভেম্বরের শেষের দিকে গণভোট করা হোক। এরপরও জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য যথেষ্ট সময় থাকবে।

বুধবার  রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জামায়াত প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. তাহের জানান, জুলাই সনদ প্রসঙ্গে দলটির অবস্থান স্পষ্ট। তিনি বলেন, দীর্ঘ কয়েক মাসের আলোচনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে যে ঐকমত্যে পৌঁছানো গেছে, সেখানে কয়েকটি মৌলিক পয়েন্ট রয়েছে। এখন সবচেয়ে জরুরি হলো এই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া এবং বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করা।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের মধ্যে যে বিষয়গুলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো আগে বাস্তবায়ন করতে হবে। তারপর নির্বাচনের আয়োজন করলে তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

জামায়াতের নায়েবে আমির জানান, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে জুলাই সনদে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোকেই ভিত্তি ধরে আগানো হবে। আমাদের বলা হয়েছে, যেসব পয়েন্টে দলগুলো একমত হয়েছে, সেগুলো নিয়েই জুলাই সনদ গঠিত। আমরা সেই সনদে স্বাক্ষর করেছি।

বৈঠকে জামায়াত প্রতিনিধি দলে  উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, নীতিনির্ধারক ও নির্বাচনী বিষয়ক দায়িত্বশীল নেতারা। তাঁরা গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়ার ওপর জোর দেন এবং বলেন, গণভোটই হবে সুষ্ঠু রাজনৈতিক সমাধানের প্রথম ধাপ।