দুর্গাপূজা বাধাগ্রস্ত করতেই খাগড়াছড়িকে অশান্ত করার চেষ্টা হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- আপডেট সময় : ০৭:১১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২২৩ বার পড়া হয়েছে
সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের আনন্দঘন দুর্গাপূজা করতে না পারেন, সেজন্য খাগড়াছড়িকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে খাগড়াছড়ি ইস্যু নিয়ে বৈঠক করেন এবং বিকালে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে এসে মন্তব্য করেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশে-বিদেশে পালিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টরা খাগড়াছড়ির সন্ত্রাসীদের মদত দিয়েছে।
এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় পূজার অনুষ্ঠান হচ্ছে ঢাকেশ্বরীর অনুষ্ঠান। এর পবিত্রতা রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব। আপনারা সবাই এর পবিত্রতা রক্ষা করবেন। এ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যেখানে পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, আনসারসহ অনেক স্বেচ্ছাসেবক আছেন।’
তিনি বলেন, ‘খাগড়াছড়ির গুইমারায় একটা ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা ঘটানোর উদ্দেশ্যই ছিল যেন পূজা শান্তিপূর্ণভাবে হতে না পারে। কিছু সংখ্যক সন্ত্রাসী চেষ্টা করেছে এই পূজাটা যেন ভালোভাবে না হয়। এসব সন্ত্রাসীর কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা হয়েছে। যে কারণে পাহাড়েও পূজা ভালোভাবে হচ্ছে।’
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘আপনারা সবাই চেষ্টা করবেন আমাদের এই পূজা যেন ভালোভাবে হতে পারে। সন্ত্রাসীরা সব জায়গায় চেষ্টা করবে। এসব সন্ত্রাসীর মদতদাতা রয়েছে দেশে ও দেশের বাইরে। এই মদতদাতারে অসৎ উদ্দেশ্য যাতে সফল না হয় সে চেষ্টা করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বর্তমানে খাগড়াছড়ির পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা সঠিক সংবাদ প্রকাশ করবেন। যাতে যারা অসত্য সংবাদ দেয় সেটা যেন বন্ধ হয়ে যায়। আপনারা কোনও সংবাদ যাচাই না করে দেবেন না। এজন্য একটা অ্যাপও করা হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিছু সংখ্যক সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।




















