ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

দুই মাসের ব্যবধানে দু’বার ভূমিকম্প ঢাকায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুন ২০২৩ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৬ মিনিট ১৫ সেকেন্ডো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ২০২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এটিকে ‘হালকা’ ভূমিকম্প হিসেবে বর্ণনা করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বা ইউএসজিএস তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিলে সিলেটের গোলাপগঞ্জ এলাকায়। উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্প ছিল পাঁচ মাত্রার। বাংলাদেশের পাশাপাশি সীমান্তের অপর পাশে ভারতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

সিলেট শহরে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি ছিল আঁতকে ওঠার মতো। এই ভূমিকম্প আট থেকে দশ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছে। এ সময় আতঙ্কে বিভিন্ন বহুতল ভবনের অনেক বাসিন্দা রাস্তায় নেমে আসেন। তবে ভূমিকম্পে এখনো পর্যন্ত কোন ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

গত ৫ই মে ঢাকায় সর্বশেষ ভূমিকম্প হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এর হিসেব অনুযায়ী তখন ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৩।

আমেরিকান সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার কাছে বিক্রমপুরের দোহার থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলকে এমনিতেই ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেন বিজ্ঞানিরা।

ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়েকটি প্লেট থাকার কারণে এসব এলাকা ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে।

সুনামগঞ্জ, জাফলং অংশে ডাউকি ফল্টের পূর্বপ্রান্তেও ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন।

এসব ফল্টে ভূমিকম্প হলে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বা বিপদের মাত্রা অনেক বেশি বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুই মাসের ব্যবধানে দু’বার ভূমিকম্প ঢাকায়

আপডেট সময় : ১২:৫৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুন ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৬ মিনিট ১৫ সেকেন্ডো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ২০২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এটিকে ‘হালকা’ ভূমিকম্প হিসেবে বর্ণনা করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বা ইউএসজিএস তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিলে সিলেটের গোলাপগঞ্জ এলাকায়। উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্প ছিল পাঁচ মাত্রার। বাংলাদেশের পাশাপাশি সীমান্তের অপর পাশে ভারতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

সিলেট শহরে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি ছিল আঁতকে ওঠার মতো। এই ভূমিকম্প আট থেকে দশ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছে। এ সময় আতঙ্কে বিভিন্ন বহুতল ভবনের অনেক বাসিন্দা রাস্তায় নেমে আসেন। তবে ভূমিকম্পে এখনো পর্যন্ত কোন ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

গত ৫ই মে ঢাকায় সর্বশেষ ভূমিকম্প হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এর হিসেব অনুযায়ী তখন ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৩।

আমেরিকান সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার কাছে বিক্রমপুরের দোহার থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলকে এমনিতেই ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেন বিজ্ঞানিরা।

ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়েকটি প্লেট থাকার কারণে এসব এলাকা ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে।

সুনামগঞ্জ, জাফলং অংশে ডাউকি ফল্টের পূর্বপ্রান্তেও ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন।

এসব ফল্টে ভূমিকম্প হলে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বা বিপদের মাত্রা অনেক বেশি বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।