ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না

ত্রিশ বছর পর মামলা থেকে খালাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩ ২৩২ বার পড়া হয়েছে

আব্দুল করিম দুলাল : ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ঘটনাটা ১৯৯৩ সালের ২৪ মে। ঢাকার মহাখালীতে তিন দশক আগে একটি জুতার কারখানায় চাকরি করতেন বগুড়ার আব্দুল করিম দুলাল। দুই সহকর্মীর সঙ্গে থাকতেন কোম্পানির মেসে। এলাকার দূরসম্পর্কের আত্মীয় নজরুল ইসলাম দুদু মিয়া এসে ওঠেন দুলালের মেসে। দুদুকে আশ্রয় দেওয়াই কাল হয় দুলালের জীবনে।

দুদু একটি ব্যাগ দুলালের কাছে রেখে বেরিয়ে যান। পরদিন সিআইডি পুলিশ দুলালের মেসে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাগ থেকে তিনটি মূর্তি উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার হন দুলাল ও দুদু। মামলা হয় তাদের দু’জনের বিরুদ্ধে।

বর্তমানে ৫৫ বছর দুলাল যখন মামলায় জড়ান তখন তিনি তরুণ। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে থাকেন বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ধাওয়া পিকসন গ্রামে। এখন অনেকটা অসুস্থ তিনি।

অবশেষে ত্রিশ বছর পর বৃহস্পতিবার সেই মামলা থেকে খালাস পান আব্দুল করিম দুলাল। ঢাকার এক নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবুল কাসেম বৃহস্পতিবার রায়ে একমাত্র আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।

রায়ের পর আদালত কক্ষেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন দুলাল। তিনি বলেন, কষ্টে আমার বুক ফেঁটে যাচ্ছে। ত্রিশ বছর এই মিথ্যা মামলার জন্য কত কষ্ট করেছি। প্রতি এক/দুই মাস পর পর ঢাকায় এসেছি। আজ আমি দায় থেকে মুক্ত হলাম। এতদিন আমার বুকের ওপর জগদ্দল পাথর চেপে বসেছিল।

অপর আসামি দুদু মিয়া প্যারালাইজড অবস্থায় দীর্ঘ রোগভোগের পর ২০১৯ সালে মারা যান। ১৯৯৪ সালে এ মামলাটির বিচার শুরু হলেও গত ২৫ বছরে মামলার কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ। আইনজীবীরা বলছেন, আদালতে সাক্ষী হাজির করার দায়িত্ব পুলিশের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ত্রিশ বছর পর মামলা থেকে খালাস

আপডেট সময় : ০৯:২১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ঘটনাটা ১৯৯৩ সালের ২৪ মে। ঢাকার মহাখালীতে তিন দশক আগে একটি জুতার কারখানায় চাকরি করতেন বগুড়ার আব্দুল করিম দুলাল। দুই সহকর্মীর সঙ্গে থাকতেন কোম্পানির মেসে। এলাকার দূরসম্পর্কের আত্মীয় নজরুল ইসলাম দুদু মিয়া এসে ওঠেন দুলালের মেসে। দুদুকে আশ্রয় দেওয়াই কাল হয় দুলালের জীবনে।

দুদু একটি ব্যাগ দুলালের কাছে রেখে বেরিয়ে যান। পরদিন সিআইডি পুলিশ দুলালের মেসে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাগ থেকে তিনটি মূর্তি উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার হন দুলাল ও দুদু। মামলা হয় তাদের দু’জনের বিরুদ্ধে।

বর্তমানে ৫৫ বছর দুলাল যখন মামলায় জড়ান তখন তিনি তরুণ। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে থাকেন বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ধাওয়া পিকসন গ্রামে। এখন অনেকটা অসুস্থ তিনি।

অবশেষে ত্রিশ বছর পর বৃহস্পতিবার সেই মামলা থেকে খালাস পান আব্দুল করিম দুলাল। ঢাকার এক নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবুল কাসেম বৃহস্পতিবার রায়ে একমাত্র আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।

রায়ের পর আদালত কক্ষেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন দুলাল। তিনি বলেন, কষ্টে আমার বুক ফেঁটে যাচ্ছে। ত্রিশ বছর এই মিথ্যা মামলার জন্য কত কষ্ট করেছি। প্রতি এক/দুই মাস পর পর ঢাকায় এসেছি। আজ আমি দায় থেকে মুক্ত হলাম। এতদিন আমার বুকের ওপর জগদ্দল পাথর চেপে বসেছিল।

অপর আসামি দুদু মিয়া প্যারালাইজড অবস্থায় দীর্ঘ রোগভোগের পর ২০১৯ সালে মারা যান। ১৯৯৪ সালে এ মামলাটির বিচার শুরু হলেও গত ২৫ বছরে মামলার কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ। আইনজীবীরা বলছেন, আদালতে সাক্ষী হাজির করার দায়িত্ব পুলিশের।