‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পেশাগত দায়িত্ব পালনে হুমকি তৈরি করছে’
- আপডেট সময় : ০৬:০২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
রাজারবাগ দরবার শরিফের নেতা শাকেরুল কবিরের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারের পর চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনালে আরটিভি সাংবাদিক অধরা ইয়াসমিন ও তাঁর সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রতিবাদে শুক্রবার ঢাকায় ‘আমরা গণমাধ্যমকর্মী’ ব্যানারে মানববন্ধন করে।
মানববন্ধনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে মুলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, সংশোধন হবে। যেদিন আইন সংসদে উত্থাপিত হয়, সেদিন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছিলেন, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনটি করা হয়েছে।
কিন্তু সরকারের এই দুই মন্ত্রী মিথ্যা কথা বলেছেন। এরপর আইনমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, কোথাও যদি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়, তাহলে তিনি সেই মামলা পরিচালনা করবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত একটি মামলাও তাঁকে পরিচালনা করতে দেখিনি। এ ছাড়াও বলেছিলেন, মামলার আগে তদন্ত হবে, তারপর মামলা হবে। কিন্তু অধরার ক্ষেত্রে তা দেখা যায়নি।
এই সাংবাদিকনেতা আরও বলেন, সরকার বলছে, দেশের গণমাধ্যম সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। দেশের গণমাধ্যম এই অর্থে স্বাধীনতা ভোগ করছে যে আগে চ্যানেল ছিল ১টি বা ২টি, সেখানে এখন ৪০টি চ্যানেল এবং সংবাদপত্র ১ হাজার ২০০-এর বেশি। সংখ্যার দিক থেকে স্বাধীনতা ভোগ করছে। কিন্তু গুণ ও মানের দিক থেকে এখনো সংকোচন নীতি চলছে।
সাংবাদিকদের সব সময় নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে উল্লেখ করে সোহেল হায়দার বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সংশোধনের জন্য অংশীজনদের কাউকে ডাকা হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন তুলে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনটি সংশোধনের জন্য আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি মোরসালিন নোমানী জানান, রাজারবাগের পীর ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছেন। এই পীরের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মধ্যে এই পীরের অপকর্ম তুলে ধরতে।




















