জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
- আপডেট সময় : ০৫:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩ ২৪১ বার পড়া হয়েছে
শোভাযাত্রায় ঘিরে থাকবে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ বাংলাদেশের মানুষ এই বিশ্বাষকে লালন করে। দুর্গাপুজা, দীপাবলি পুজা, পহেলা বৈশাখ, ঈদ থেকে শুরু করে যে কোন উৎসবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের ঢল নামে।
বাংলাদেশের এই সম্প্রীতির বন্ধন নজির গড়েছে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশের তরফে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারী থাকবে। এই বিশেষ ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠিত হবে জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রা।
সনাতনধর্মাবলম্বী নেতাদের নিয়ে এসংক্রান্ত বৈঠক করলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার। মঙ্গলবার নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভাটি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাদের আসন্ন জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে ঢাকার প্রধান খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, যে কোনো অনুষ্ঠান অধিকতর গুরুত্ব বিবেচনা করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।
নির্বাচনের বছর হওয়ায় বিরোধী দলগুলো এখন আন্দোলনমুখী। জন্মাষ্টমী পালনে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য ডিএমপি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে থাকবে। নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলাদেশ পুলিশ প্রত্যেকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। উৎসব ঘিরে কোনো হুমকির তথ্য থাকলে পুলিশকে অবগত করার অনুরোধ জানান পুলিশ প্রধান। প্রতিটি মন্দিরে উন্নতমানের সিসি ক্যামেরা স্থাপন, শোভাযাত্রা নির্দিষ্ট সময় শুরু ও শেষ করা, নির্ধারিত পোশাকে বা দৃশ্যমান আইডি কার্ডে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক রাখা, শোভাযাত্রার মধ্যে গ্যাপ না রাখা, ব্যাগ নিয়ে শোভাযাত্রায় না আসা এবং আযান ও নামাজের সময় বাদ্য বাজানো বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়।

সভার শুরুতে কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রায় ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) খ. মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, এসবি এবং এনএসআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।



















