ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ নদী মরছে, বিপন্ন হচ্ছে নগরসভ্যতা থেমে গেছে প্রতিদিনের হাঁটা ১১ পলিথিনে খন্ডিত মরদেহ মেলেনি মাথা-পা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর উপহার সিএনজি-রিকশা পেলেন জুলাইযোদ্ধারা ভারত হাসিনা কার্ড খেলবে, আবার বন্ধুত্বও চাইবে:সালাহউদ্দিন

গুলির নির্দেশদাতা সেই দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

সহকারী কমিশনার ও অতিরিক্ত এসপি গ্রেপ্তার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্দোলন দমাতে পুলিশকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম

গত বছরের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে এটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলন দমাতে গুলির নির্দেশ তৎকালীন হাসিনা সরকার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৪’র ১৮ জুলাই ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদীতে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচার গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থী তাহমিদ ভুঁইয়া নিহত হয়।

পুলিশের গুলিতে তাহমিদ নিহত হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে জেলার সাধারণ মানুষ। তারা মরদেহ নিয়ে মিছিল বের করলে ফের গুলি চালায় পুলিশ। সে সময় গুলিতে আরও একজন নিহত হন। জুলাই আন্দোলনে নরসিংদী জেলাতেই নিহত হয়েছেন প্রায় ২০ জন। আর আহতর তালিকায় হাজারেরও বেশি মানুষ।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন নরসিংদীতে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দু’জনকে আদালতে হাজির করা হয়ে, তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন সূত্রের খবর, পুলিশকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বিষয়ে জানান, গুলির নির্দেশ দেওয়ার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুলাই গণহত্যায় এখন পর্যন্ত ২২ মামলায় ১৪১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে মাত্র ৫৪ জন। যাদের অধিকাংশই পুলিশ সদস্য।

চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্ত রিপোর্টে বিভিন্ন পেশার আসামিদের চিত্র ওঠে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গুলির নির্দেশদাতা সেই দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:২৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

আন্দোলন দমাতে পুলিশকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম

গত বছরের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে এটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলন দমাতে গুলির নির্দেশ তৎকালীন হাসিনা সরকার।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৪’র ১৮ জুলাই ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদীতে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচার গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থী তাহমিদ ভুঁইয়া নিহত হয়।

পুলিশের গুলিতে তাহমিদ নিহত হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে জেলার সাধারণ মানুষ। তারা মরদেহ নিয়ে মিছিল বের করলে ফের গুলি চালায় পুলিশ। সে সময় গুলিতে আরও একজন নিহত হন। জুলাই আন্দোলনে নরসিংদী জেলাতেই নিহত হয়েছেন প্রায় ২০ জন। আর আহতর তালিকায় হাজারেরও বেশি মানুষ।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন নরসিংদীতে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দু’জনকে আদালতে হাজির করা হয়ে, তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন সূত্রের খবর, পুলিশকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বিষয়ে জানান, গুলির নির্দেশ দেওয়ার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুলাই গণহত্যায় এখন পর্যন্ত ২২ মামলায় ১৪১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে মাত্র ৫৪ জন। যাদের অধিকাংশই পুলিশ সদস্য।

চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্ত রিপোর্টে বিভিন্ন পেশার আসামিদের চিত্র ওঠে আসবে।