গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩ ২১৯ বার পড়া হয়েছে
৭১’র গণহত্যার আন্তর্াতিক স্বীকৃতির দাবি সর্স্তরের মানুষের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে গণহত্যা দিবসে প্রতিকী মরদেহ
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ইতিহাসের অন্যতম গণহত্যা হলেও জাতিসংঘের স্বীকৃতি মেলেনি। সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে ৩ কোটি মানুষ মানুষ গৃহহারা এবং এক কোটি মানুষ শরণার্থী হয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। রাস্তায় রাস্তায় পড়ে থাকা মরদেহ শেয়াল কুকুরে খেয়েছে। মেয়েদেরকে ক্যাম্পে তুলে নিয়ে পাশবিক অত্যাচার করেছেন বর্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
২৫শে মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ। পাকিস্তানের সঙ্গে নয় মাসের যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হন। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৮ সাল থেকে জাতীয়ভাবে ‘গণহত্যা দিবস’ পালিত হচ্ছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় গোটা দেশে একমিনিটের ব্ল্যাক আউট করে শহীদদের স্মরণ করে বাংলাদেশ।
এদিন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের জগন্নাত হলে প্রবেশ করতেই দেখা গেলো এদিক ওদিকে শিক্ষার্থীদের মরদেহ পড়ে আছে। শিক্ষার্থীরা জানালেন, ৭১-এর নির্মম হত্যাযজ্ঞকে স্মরণ করেই এই প্রতিকী ব্যবস্থা। সংখ্যালঘু হওয়ায় ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জগন্নাথ হলে পরিকল্পিভাবে হত্যাযজ্ঞ চালায়। শহীদদের সম্মান জানাতে হলের প্রবেশ পথ থেকে স্মৃতিবেধি পর্যন্ত আলপনা আঁকা।

জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাতে প্রদ্বীপ প্রজ্জ্বোলন ছাড়াও রয়েছে বিশেষ প্রার্থনা করেন তারা। ঐতিহাসিক রমনা কালীমন্দির, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ সারাদেশে প্রদ্বীপ প্রজ্জ্বোলন করে শহীদদের স্মরণ করা হয়। এদিকে গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, ‘যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশ জাতির পিতা গড়ে তুলেছিলেন, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবেও আমরা স্বীকৃতি পেয়েছিলাম। কিন্তু মাত্র তিন বছর সাত মাস তিনদিন তিনি ক্ষমতায় ছিলেন।



















