ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার মানুষ বানভাসি, খাবার সংকট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০২৩ ২০০ বার পড়া হয়েছে

নৌকায় পার হচ্ছেন বানভাসি মানুষ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের উত্তর জনপদের কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলার ১৮৫টি গ্রাম বন্যার কবলিত। এখানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র পার্শ্ববর্তী নিচু স্থানসহ চর-দ্বীপচরের ঘরবাড়িগুলো বন্যার প্লাবিত হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন।

বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের ও শুকনো খাবার সংকটে পড়েছে বানভাসি মানুষ।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, শনিবার বিকালে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৬ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম বন্যা নিয়ন্ত্রণ কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, বন্যার পানিতে ১৮৫টি গ্রামের ১৬১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ১ হাজার ৬৬০টি আর পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ১৪ হাজার ৬০টি।

ফলে মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬২ হাজার ৮৮০জন। নদীভাঙনে ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার্ত মানুষের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৬১টি আশ্রয় কেন্দ্র।

কুড়িগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সবকটি নদ-নদীর পানি আগামী তিন-চারদিন ওঠানামা করে নেমে যাবে। কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন স্থায়ী হবে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, ইতিমধ্যে ৬৮ মেট্রিক টন চাল উপজেলাগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আমাদের কাছে ৫৮২ মেট্রিক টন চাল, ১০ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে। বন্যার্তদের তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার মানুষ বানভাসি, খাবার সংকট

আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের উত্তর জনপদের কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলার ১৮৫টি গ্রাম বন্যার কবলিত। এখানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র পার্শ্ববর্তী নিচু স্থানসহ চর-দ্বীপচরের ঘরবাড়িগুলো বন্যার প্লাবিত হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন।

বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের ও শুকনো খাবার সংকটে পড়েছে বানভাসি মানুষ।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, শনিবার বিকালে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৬ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম বন্যা নিয়ন্ত্রণ কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, বন্যার পানিতে ১৮৫টি গ্রামের ১৬১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ১ হাজার ৬৬০টি আর পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ১৪ হাজার ৬০টি।

ফলে মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬২ হাজার ৮৮০জন। নদীভাঙনে ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার্ত মানুষের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৬১টি আশ্রয় কেন্দ্র।

কুড়িগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সবকটি নদ-নদীর পানি আগামী তিন-চারদিন ওঠানামা করে নেমে যাবে। কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন স্থায়ী হবে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, ইতিমধ্যে ৬৮ মেট্রিক টন চাল উপজেলাগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আমাদের কাছে ৫৮২ মেট্রিক টন চাল, ১০ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে। বন্যার্তদের তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।