কক্সবাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আনন্দ মিছিল
- আপডেট সময় : ০৬:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অক্টোবর ২০২১ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
কক্সবাজারের বিভিন্ন শিবিরের আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গারা জনগোষ্ঠী আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন। ভাসানচরে রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। এতে করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মনে করছেন, তাদের জীবনমান উন্নয়ন হবে। সেই আনন্দের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার কক্সবাজারের বিভিন্ন শিবিরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেন তারা।
এর আগে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করতে শনিবার ঢাকায় সচিবালয়ে বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ মন্ত্রকের সঙ্গে ইউএনএইচসিআরের সমঝোতা চুক্তি সই হয়। তাতে ভাসানচর বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মাঝে সৃষ্টি হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাস। এ খবর কক্সবাজারের শরণার্থী
কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির
শিবিরগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে সেখানেও রোহিঙ্গাদের মাঝে দেখা দেয় উৎসাহ-উদ্দীপনা। যার ফলে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দরা আনন্দ মিছিল বের করেন। খণ্ড খণ্ড মিছিল করে ব্যানার-ফেস্টুন সহকারে ইউএনএইচসিআরকে স্বাগত জানান তারা।
ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের কার্যক্রমের সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা জড়িত হওয়ায় তারা আনন্দিত। এতে শিবিরে আশ্রিতদের খাদ্য, চিকিৎসাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে।
র্যালিতে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্লোগান দেন রোহিঙ্গারা। তাদের হাতে শোভা পাচ্ছিল স্বাগত জাতিসংঘ, ধন্যবাদ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন। র্যালি শেষে উচ্ছ্বসিত রোহিঙ্গারা নিজেদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন।
কুতুপালং শিবিরের হেড মাঝি জাফর আলম বলেন, কুতুপালং ক্যাম্পে চরম ঝুঁকি নিয়ে থাকার চেয়ে ভাসানচরে পাকা ঘরে থাকা অনেক ভালো হবে। রোহিঙ্গারা এখন বুঝতে পারছেন কুতুপালংয়ের চেয়ে ভাসানচর তাদের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

ভাসান চর রোহিঙ্গা শিবির
তিনি আরও বলেন, ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করায় রোহিঙ্গারা অনেক সন্তুষ্ট। তারা এখন ব্যাপকহারে ভাসানচরের প্রতি আগ্রহী। অনেকে তাদের আগ্রহের কথা প্রকাশ করে আনন্দ র্যালিতে অংশ নিয়েছেন।
রোহিঙ্গা কমিউনিটির এ নেতা বলেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের ব্যাপারে কাউকে জোর করা হচ্ছে না। স্বেচ্ছায় যারা ভাসানচরে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করবেন, তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হবে।




















