ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৯ মাস সমুদ্রে, ভেঙে পড়ছে মার্কিন নৌসেনাদের মনোবল প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢাকার যানজট-কর্মঘণ্টা নষ্টের উৎস ব্যাটারি রিকশার চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে উদ্যোগ ডিএসসিসির আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  প্রস্তুতি দুই দেশেই স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু ভিক্ষার ঝুলিতে ৪৬ হাজার ৬০০ ডলার সহানুভূতির আড়ালে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল বাকি শুধু সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে পাঁচ বছরে ৩৪ প্রাণহানি  অবসরে  ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক 

এখন থেকে ৩ সন্তান নিতে পারবেন চীনা দম্পতিরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মে ২০২১ ২৭৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগৃহিত

চীনা দম্পতিরা এতোদিন দুই সন্তানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। এবারে চীন সরকার তা সংস্কার করে কোন দম্পতি সর্বোচ্চ তিনসন্তান নিতে পারবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ চীনে এতো কোন দম্পতি দুটোর বেশি সন্তান নেওয়ার বিষয়টি ছিলো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এখন সে অবস্থান থেকে বেড়িয়ে এসেছে দেশটি।

দুই সন্তান নীতি থেকে বের হয়ে তিন সন্তান পর্যন্ত নীতি গ্রহণ করলো বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন। সন্তান জন্মের হার কমে যাওয়া ও বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবার কারণে নতুন এই পরিবার পরিকল্পনা নীতি গ্রহণ করেছে। এখন থেকে চীনের দম্পতিরা তিনটি পর্যন্ত সন্তান নিতে পারবেন।

সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকের নেতৃত্ব দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

গত ৪০ বছর ধরে নীতি ছিল, এক যুগল এক সন্তান। এই নীতি থেকে ২০১৬ সালে বেরিয়ে আসে চীন। এরপর দুই সন্তান নীতি আসে চীন। অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও জনশক্তির কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

মে মাসে সরকারি হিসাব মতে, ১৯৬০ সালের পর থেকে দেশটিতে জনসংখ্যা উৎপাদন সর্বোচ্চ হারে হ্রাস পেয়েছে। চীনের এক সন্তান নীতি গ্রহণের পর থেকেই কমতে থাকে জনসংখ্যা। চলতি মাসে যা সর্বোচ্চ আকার ধারণ করে। ফলে পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে শি জিনপিং সরকার।

চীনের সবশেষ আদমশুমারির তথ্যমতে, গত বছর চীনে এক কোটি ২০ লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৮০ লাখ। ১৯৬০-এর দশকের পর এই প্রথম এত কম সংখ্যক শিশু জন্ম নিয়েছে চীনে।

দেশটিতে প্রজননের হার ১ দশমিক ৩। দেশটিতে সংখ্যা স্থিতিশীল রাখার জন্য যে জন্মহার থাকা প্রয়োজন, তার চেয়ে কম এই হার। চীনের নতুন প্রজন্মের মাঝে সন্তান নেয়ার আগ্রহ কমেছে। বিশেষ করে কর্মজীবী দম্পতিদের মাঝে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এখন থেকে ৩ সন্তান নিতে পারবেন চীনা দম্পতিরা

আপডেট সময় : ০৬:০০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মে ২০২১

ছবি সংগৃহিত

চীনা দম্পতিরা এতোদিন দুই সন্তানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। এবারে চীন সরকার তা সংস্কার করে কোন দম্পতি সর্বোচ্চ তিনসন্তান নিতে পারবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ চীনে এতো কোন দম্পতি দুটোর বেশি সন্তান নেওয়ার বিষয়টি ছিলো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এখন সে অবস্থান থেকে বেড়িয়ে এসেছে দেশটি।

দুই সন্তান নীতি থেকে বের হয়ে তিন সন্তান পর্যন্ত নীতি গ্রহণ করলো বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন। সন্তান জন্মের হার কমে যাওয়া ও বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবার কারণে নতুন এই পরিবার পরিকল্পনা নীতি গ্রহণ করেছে। এখন থেকে চীনের দম্পতিরা তিনটি পর্যন্ত সন্তান নিতে পারবেন।

সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকের নেতৃত্ব দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

গত ৪০ বছর ধরে নীতি ছিল, এক যুগল এক সন্তান। এই নীতি থেকে ২০১৬ সালে বেরিয়ে আসে চীন। এরপর দুই সন্তান নীতি আসে চীন। অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও জনশক্তির কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

মে মাসে সরকারি হিসাব মতে, ১৯৬০ সালের পর থেকে দেশটিতে জনসংখ্যা উৎপাদন সর্বোচ্চ হারে হ্রাস পেয়েছে। চীনের এক সন্তান নীতি গ্রহণের পর থেকেই কমতে থাকে জনসংখ্যা। চলতি মাসে যা সর্বোচ্চ আকার ধারণ করে। ফলে পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে শি জিনপিং সরকার।

চীনের সবশেষ আদমশুমারির তথ্যমতে, গত বছর চীনে এক কোটি ২০ লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৮০ লাখ। ১৯৬০-এর দশকের পর এই প্রথম এত কম সংখ্যক শিশু জন্ম নিয়েছে চীনে।

দেশটিতে প্রজননের হার ১ দশমিক ৩। দেশটিতে সংখ্যা স্থিতিশীল রাখার জন্য যে জন্মহার থাকা প্রয়োজন, তার চেয়ে কম এই হার। চীনের নতুন প্রজন্মের মাঝে সন্তান নেয়ার আগ্রহ কমেছে। বিশেষ করে কর্মজীবী দম্পতিদের মাঝে।