সীমান্ত হত্যা ভারতের জন্য লজ্জার মন্তব্য ড. মোমেনের
- আপডেট সময় : ০৯:১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১ ৩১০ বার পড়া হয়েছে
কুড়ি বছরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কমপক্ষে ১ হাজার ২৩৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত
হয়েছেন। ২০০০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে এই সংখ্যক
বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হলেও গত দুই যুগে নানাভাবে চেষ্টা করা হলেও মেলেনি সংকটের
সমাধান। দফায় দফায় বৈঠক আর প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরির পর এবছরও অব্যাহত রয়েছে সীমান্তে
বিএসএফ-এর হত্যাযজ্ঞ। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সীমান্ত
হত্যা ভারতের জন্য লজ্জার আর বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক। উভয় দেশের সরকার প্রধানের
মধ্যে মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত হলেও তা প্রতিপালন না করা দুঃখজনক বলেও
মন্তব্য করেন ড. মোমেন। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য আইওআরএ বৈঠক নিয়ে রবিবার আয়োজিত এক
সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন ড. মোমেন। এদিন ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনে
ভারতের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদেশমন্ত্রী। আমরা সীমান্তে
কোনো হত্যা দেখতে চাই না। দুই দেশই সীমান্তে লিথ্যল উইপন (প্রাণঘাতী অস্ত্র) ব্যবহার না
করতে সম্মত হয়েছে। তার পরও সীমান্ত হত্যা, আমাদের জন্য দুঃখের, আর ভারতের জন্য
লজ্জার। নভেম্বরের প্রথম দুই সপ্তাহেই ৪ বাংলাদেশি হত্যা হয়েছে ভারত সীমান্তে। ২ নভেম্বর
সিলেটের কানাইঘাটে দুইজন হত্যার পর সবশেষ গত শুক্রবার লালমনিরহাট সীমান্তে আরও দুই
বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও কূটনৈতিক পর্যায়ে
প্রচুর আলোচনা হলেও ভারতের তরফে আচরণের কোনো উন্নতি হয়নি। সোমবার থেকে ঢাকায়
শুরু হতে যাওয়া ইন্ডিয়ান ওশেন রিম এসোসিয়েশন-আইওআরএ-নিয়ে সংবাদ সম্মেলনটির
আয়োজন করে বিদেশ মন্ত্রক। ১২টি দেশের মন্ত্রী ২৩ দেশের ডেলিগেটরা অংশগ্রহণে ভারত
মহাসগরের সম্পদ সর্বোত্তম উপায়ে ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হবে এই বৈঠকে।





















