ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচির প্রতি ভারত সরকার খুবই শ্রদ্ধাশীল

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনা নিয়ন্ত্রণে ভারতকে অনুসরণ করতে পারে বাংলাদেশ মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সের পরিদর্শনে ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচির প্রতি ভারত সরকার খুবই শ্রদ্ধাশীল। কুমুদিনী কমপ্লেক্সের শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা

মানসম্পন্ন। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে কুমুদিনী হাসপাতাল যেভাবে মানসম্পন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে, তার জন্য প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারত খুবই কাছাকাছি থেকে কভিড পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যাচ্ছে। ভারতে কভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আমরা এখন বাংলাদেশের জন্য সাধ্যমত সব কিছুই করব। কভিড নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ভারতের পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।

ভারত করোনা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশগ্রহণমূলক কাজ করে যাচ্ছে। কভিড মোকাবেলায় ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে টিকা, অক্সিজেন ও অ্যাম্বুলেন্স সহায়তা দিয়েছে। ভবিষ্যতেও আমাদের চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞান বিনিময়ে বদ্ধপরিকর।

হাইকমিশনার ও হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (পাবলিক কূটনতি) দিপ্তী আলংঘাটসহ ৬ সদস্যের একটি দল কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছুলে কুমুদিনী নার্সিং স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শম্পা সাহা, পরিচালক মহাবীর পতি, পরিচালক একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রতিভা মুৎসুদ্দি,

পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম এ হালিম, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার

(মির্জাপুর সার্কেল) মনসুর মুসা, কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম অনিমেষ ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন।

কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা চক্র শেষে হাইকমিশনারকে কুমুদিনী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে সেবামূলক কাজকর্ম, বিশ্বযুদ্ধ ও মহান মুক্তিযুদ্ধে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা দানরীর রণদা প্রসাদ সাহার অবদানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে নিহত ভারতের ৭ সেনা সদস্যকে দাহ করার স্থানে (কুমুদিনী হাসপাতালের প্রধান ফটকের পূর্বপাশে) তাদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিফলক উন্মোচন করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে তিনি কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল

ও ভারতেশ্বরী হোমস পরিদর্শন করেন। দুপুরে ভারতেশ্বরী হোমসে মধ্যাহ্নভোজ শেষে আনন্দ নিকেতনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা জানান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে আহত ভারতের ২০ সেনা সদস্যকে কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে তারা সুস্থ হয়ে ফিরে

যান। এ ছাড়া বর্তমান উপজেলা পরিষদ চত্বর এলাকায় পাকিস্তানি সেনারা ভারতের ৭ সেনা সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে। তাদের কুমুদিনী হাসপাতালের সামনে নদীর পারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাহ করেন।

তিনি আরও জানান, তাদের স্মরণে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট্রের উদ্যোগে কমপ্লেক্স নির্মিত একটি স্মৃতিফলকটি এদিন উন্মোচন করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচির প্রতি ভারত সরকার খুবই শ্রদ্ধাশীল

আপডেট সময় : ১০:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনা নিয়ন্ত্রণে ভারতকে অনুসরণ করতে পারে বাংলাদেশ মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সের পরিদর্শনে ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচির প্রতি ভারত সরকার খুবই শ্রদ্ধাশীল। কুমুদিনী কমপ্লেক্সের শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা

মানসম্পন্ন। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে কুমুদিনী হাসপাতাল যেভাবে মানসম্পন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে, তার জন্য প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারত খুবই কাছাকাছি থেকে কভিড পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যাচ্ছে। ভারতে কভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আমরা এখন বাংলাদেশের জন্য সাধ্যমত সব কিছুই করব। কভিড নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ভারতের পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।

ভারত করোনা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশগ্রহণমূলক কাজ করে যাচ্ছে। কভিড মোকাবেলায় ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে টিকা, অক্সিজেন ও অ্যাম্বুলেন্স সহায়তা দিয়েছে। ভবিষ্যতেও আমাদের চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞান বিনিময়ে বদ্ধপরিকর।

হাইকমিশনার ও হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (পাবলিক কূটনতি) দিপ্তী আলংঘাটসহ ৬ সদস্যের একটি দল কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছুলে কুমুদিনী নার্সিং স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শম্পা সাহা, পরিচালক মহাবীর পতি, পরিচালক একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রতিভা মুৎসুদ্দি,

পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম এ হালিম, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার

(মির্জাপুর সার্কেল) মনসুর মুসা, কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম অনিমেষ ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন।

কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা চক্র শেষে হাইকমিশনারকে কুমুদিনী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে সেবামূলক কাজকর্ম, বিশ্বযুদ্ধ ও মহান মুক্তিযুদ্ধে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা দানরীর রণদা প্রসাদ সাহার অবদানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে নিহত ভারতের ৭ সেনা সদস্যকে দাহ করার স্থানে (কুমুদিনী হাসপাতালের প্রধান ফটকের পূর্বপাশে) তাদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিফলক উন্মোচন করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে তিনি কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল

ও ভারতেশ্বরী হোমস পরিদর্শন করেন। দুপুরে ভারতেশ্বরী হোমসে মধ্যাহ্নভোজ শেষে আনন্দ নিকেতনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা জানান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে আহত ভারতের ২০ সেনা সদস্যকে কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে তারা সুস্থ হয়ে ফিরে

যান। এ ছাড়া বর্তমান উপজেলা পরিষদ চত্বর এলাকায় পাকিস্তানি সেনারা ভারতের ৭ সেনা সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে। তাদের কুমুদিনী হাসপাতালের সামনে নদীর পারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাহ করেন।

তিনি আরও জানান, তাদের স্মরণে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট্রের উদ্যোগে কমপ্লেক্স নির্মিত একটি স্মৃতিফলকটি এদিন উন্মোচন করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।