ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আম চাষীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আমচাষীরা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি

পীলে চমকানো আতঙ্ক গ্রাস করেছে সাতক্ষীরার আমচাষীদের। ঘূর্ণিঝড় মোকা প্রভাবে গাছের আম পড়ে গিয়ে নষ্ট হতে পারে, এমন আতঙ্ক থেকে গাছের আম পেড়ে কম দামে বিক্রি করছেন চাষীরা।

আমচাষিদের বক্তব্য মোখা আঘাত হানলে আম পড়ে যাবে এবং তা বিক্রি করা যাবে না। মোকার কবল থেকে আম রক্ষায় আগাম পেড়ে বিক্রি করছেন। তাতে দাম অনেক কমে গিয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, যদিও শুক্রবার পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় মোকার আঘাত হানতে এমন কোন শঙ্কা নেই বলে তারা প্রচার চালিয়েছেন। কিন্তু তাতে চাষীদের আম পাড়া বন্ধ করতে পারেননি।

গত মৌসুমে আম চাষে লাভের মুখ দেখতে পারেননি। চলতি মৌসুমে আমের ফলন ভাল হওয়ায় গত মৌসুমের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা দেখেন চাষীরা। কিন্তু গেল এপ্রিলের শেষের দিকে ঝড়ে অনেক আম পড়ে যায়। এখন ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্ক। এ কারণে চাষিরা আম পেড়ে বাজারে তুলে অর্ধেক দাম পাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের খবর, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলায় ৪ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগানের সংখ্যা ৫ হাজার ২৯৯টি। জেলায় আমচাষির সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০। এবারে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

প্রথম ধাপে ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ পাড়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে ল্যাংড়া ও চতুর্থ ধাপে ২৮ মে আম্রপালি আম সংগ্রহ শুরু করার কথা।

ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্কে দুই দিন ধরে আম পেড়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করছেন চাষীরা। কিন্তু বাজারে বিপুল পরিমাণ আম ওঠায় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দুই দিন আগে যে আম দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে শুক্রবার তা নেমে আসে এক হাজার টাকায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আম চাষীরা

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি

পীলে চমকানো আতঙ্ক গ্রাস করেছে সাতক্ষীরার আমচাষীদের। ঘূর্ণিঝড় মোকা প্রভাবে গাছের আম পড়ে গিয়ে নষ্ট হতে পারে, এমন আতঙ্ক থেকে গাছের আম পেড়ে কম দামে বিক্রি করছেন চাষীরা।

আমচাষিদের বক্তব্য মোখা আঘাত হানলে আম পড়ে যাবে এবং তা বিক্রি করা যাবে না। মোকার কবল থেকে আম রক্ষায় আগাম পেড়ে বিক্রি করছেন। তাতে দাম অনেক কমে গিয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, যদিও শুক্রবার পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় মোকার আঘাত হানতে এমন কোন শঙ্কা নেই বলে তারা প্রচার চালিয়েছেন। কিন্তু তাতে চাষীদের আম পাড়া বন্ধ করতে পারেননি।

গত মৌসুমে আম চাষে লাভের মুখ দেখতে পারেননি। চলতি মৌসুমে আমের ফলন ভাল হওয়ায় গত মৌসুমের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা দেখেন চাষীরা। কিন্তু গেল এপ্রিলের শেষের দিকে ঝড়ে অনেক আম পড়ে যায়। এখন ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্ক। এ কারণে চাষিরা আম পেড়ে বাজারে তুলে অর্ধেক দাম পাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের খবর, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলায় ৪ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগানের সংখ্যা ৫ হাজার ২৯৯টি। জেলায় আমচাষির সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০। এবারে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

প্রথম ধাপে ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ পাড়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে ল্যাংড়া ও চতুর্থ ধাপে ২৮ মে আম্রপালি আম সংগ্রহ শুরু করার কথা।

ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্কে দুই দিন ধরে আম পেড়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করছেন চাষীরা। কিন্তু বাজারে বিপুল পরিমাণ আম ওঠায় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দুই দিন আগে যে আম দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে শুক্রবার তা নেমে আসে এক হাজার টাকায়।