বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে হত্যা করা হয়েছে: চিফ প্রসিকিউটর
- আপডেট সময় : ০৯:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে একশ’র বেশি মানুষকে গুমের পর হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে
১৩ বছর আগে গুম হওয়ার পর বিএনপির তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে হত্যা করা হয়েছে, এমন তথ্য তদন্তে মিলেছে বলে জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
বুধবার গুম ও খুনের অভিযোগে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিলের পর সাংবাদিকদের এতথ্য জানান তিনি। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্তে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে একশ’র বেশি মানুষকে গুমের পর হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।
এম ইলিয়াস আলী বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আলী সিলেট-২ আসন থেকে দু’বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের এপ্রিলে ঢাকার বনানীতে নিজের বাসার কাছ থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ ১৩ বছরেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
গুম ও শতাধিক মানুষকে হত্যার অভিযোগে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা মামলার অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আমলে নিয়েছে। এদিন দুপুরে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।
মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গাজীপুরে তিনজনকে হত্যা ছাড়াও বরগুনার পাথরঘাটার চর-দুয়ানিতে অন্তত ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া বনদস্যু দমনের নামে সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে হত্যার তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগও রয়েছে।
বিএনপি নেতা চৌধুরী আলম, ইলিয়াস আলী, সাজেদুল হক সুমন, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ তিনশতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার সঙ্গে জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতার তথ্য মিলেছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
অভিযোগ আমলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আগামী ২১ ডিসেম্বর এ মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।



















