ঢাকা ০১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ

বাংলাদেশ ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের রেকর্ড গড়বে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগৃহিত

চা বাগান বলতে চোখের সামনে যে দৃশ্য ভেসে ওঠে, সেই রকমের গতানুগতি ধারায় বাংলাদেশের চা বাগানকে ফেলা যাবে না। এখানের চা বাগান নান্দনিক, মনোমুগ্ধকর। বাংলাদেশের চা বাগানে বেড়াতে গিয়ে যে কেউ মুগ্ধ হবেন। মনে হবে প্রকৃতির সবুজের বিছানা।

প্রকৃতিক এই সম্পদ বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে। এখানের শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিশাল বিশাল চা বাগান। যেখানে একটি পাতা দুটি কোরি সঙ্গে জড়িয়ে আছেন হাজারো শ্রমিক।

এবারের মৌসুমের শেষে অনুকূল আবহাওয়া থাকায় চায়ের উৎপাদন ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের রেকর্ড গড়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ২০১৯ সালে ৯ কোটি কেজি চা উৎপাদন হয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে দেশে ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদন হয়ে ডিসেম্বর নাগাদ আরও একটি রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার আশা করছেন বাগান মালিকরা।

বাংলাদেশের ১৬৭ টি চা-বাগানের মধ্যে বৃহত্তর সিলেটেই রয়েছে ১৩৬ টি। এবার মৌসুমের শেষ দিকেও সিলেটের বাগানগুলোতে চলছে চা-চয়ন এর ধুম। নারী-পুরুষ চা শ্রমিকরা ‘পাতি’ তুলছেন মহাখুশিতে। এবার অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এখনও চা গাছে কুঁড়ি গজাচ্ছে। তাই বাগান সংশ্লিষ্টরা এবার বড় অর্জনের স্বপ্নে দেখছেন।

চায়ের উৎপাদন ভালো হলেও বাজার মূল্য প্রতি কেজি মাত্র ১৯০-১৮৬ টাকা। এতে বাগান মালিকরা পুষিয়ে ওঠা কষ্টসাধ্য বললেন, বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশনের নর্থ সিলেট ভ্যালির চেয়ারম্যান নোমান হায়দার চৌধূরী। তিনি আরও জানান, সিলেট অঞ্চলে তাদের ২২টি বাগানেও উৎপাদন ভালো হয়েছে।

এদিকে চা বোর্ড সূত্রের খবর, ২০২১ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৭৭ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন কেজি। জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চা উৎপাদন হয় ৩৮ দশমিক ৩১ মিলিয়ন কেজি। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ ভাগের অনেক বেশী।

সব কিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০০ মিলিয়ন কেজি চা পাতা উৎপাদন হবে। যা হবে দেশে চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ড। অন্যান্য বছর এমন সময় কুয়াশার কারণে চা পাতা উৎপাদন অনেকটাই হ্রাস পায়। অথবা বৈরী আবহাওয়ার কারণে রেড ষ্পাইডার আক্রমণ করে। এবার বাগানগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে অনেকটাই মুক্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশ ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের রেকর্ড গড়বে

আপডেট সময় : ১০:২২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

ছবি সংগৃহিত

চা বাগান বলতে চোখের সামনে যে দৃশ্য ভেসে ওঠে, সেই রকমের গতানুগতি ধারায় বাংলাদেশের চা বাগানকে ফেলা যাবে না। এখানের চা বাগান নান্দনিক, মনোমুগ্ধকর। বাংলাদেশের চা বাগানে বেড়াতে গিয়ে যে কেউ মুগ্ধ হবেন। মনে হবে প্রকৃতির সবুজের বিছানা।

প্রকৃতিক এই সম্পদ বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে। এখানের শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিশাল বিশাল চা বাগান। যেখানে একটি পাতা দুটি কোরি সঙ্গে জড়িয়ে আছেন হাজারো শ্রমিক।

এবারের মৌসুমের শেষে অনুকূল আবহাওয়া থাকায় চায়ের উৎপাদন ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের রেকর্ড গড়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ২০১৯ সালে ৯ কোটি কেজি চা উৎপাদন হয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে দেশে ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদন হয়ে ডিসেম্বর নাগাদ আরও একটি রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার আশা করছেন বাগান মালিকরা।

বাংলাদেশের ১৬৭ টি চা-বাগানের মধ্যে বৃহত্তর সিলেটেই রয়েছে ১৩৬ টি। এবার মৌসুমের শেষ দিকেও সিলেটের বাগানগুলোতে চলছে চা-চয়ন এর ধুম। নারী-পুরুষ চা শ্রমিকরা ‘পাতি’ তুলছেন মহাখুশিতে। এবার অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এখনও চা গাছে কুঁড়ি গজাচ্ছে। তাই বাগান সংশ্লিষ্টরা এবার বড় অর্জনের স্বপ্নে দেখছেন।

চায়ের উৎপাদন ভালো হলেও বাজার মূল্য প্রতি কেজি মাত্র ১৯০-১৮৬ টাকা। এতে বাগান মালিকরা পুষিয়ে ওঠা কষ্টসাধ্য বললেন, বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশনের নর্থ সিলেট ভ্যালির চেয়ারম্যান নোমান হায়দার চৌধূরী। তিনি আরও জানান, সিলেট অঞ্চলে তাদের ২২টি বাগানেও উৎপাদন ভালো হয়েছে।

এদিকে চা বোর্ড সূত্রের খবর, ২০২১ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৭৭ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন কেজি। জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চা উৎপাদন হয় ৩৮ দশমিক ৩১ মিলিয়ন কেজি। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ ভাগের অনেক বেশী।

সব কিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০০ মিলিয়ন কেজি চা পাতা উৎপাদন হবে। যা হবে দেশে চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ড। অন্যান্য বছর এমন সময় কুয়াশার কারণে চা পাতা উৎপাদন অনেকটাই হ্রাস পায়। অথবা বৈরী আবহাওয়ার কারণে রেড ষ্পাইডার আক্রমণ করে। এবার বাগানগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে অনেকটাই মুক্ত।