Train through Padma bridge : ২০২৩ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলবে
- আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২ ৩৪২ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
আমিনুল হক
বিপ্লব বসত করে যেখানে। এখন আর বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে না। স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় উন্মত্ত পদ্মার বুকে অর্থনীতির ‘শঙ্কচিল’ পদ্মা সেতুই তার প্রমান। বিশ্ব তাকিয়ে বাংলাদেশের এই সফলতায়। এবারে আরও একটি বিপ্লব শুরু হতে যাচ্ছে আগামী সপ্তাহ থেকে। আর তা হলো পদ্মা সেতুতে রেলপথ বসানোর কাজ। এ নিয়ে শনিবার সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। সেখানে রেলপথ বসানোর কাজ শুরুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে এসব কথা জানালেন বাংলাদেশের রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে আমরা পদ্মা সেতুতে রেললাইন বসানোর কাজ শুরুর আশা করছি। তবে এনিয়ে সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রেলপথ মন্ত্রকের বৈঠক হবে। সেখানেই সিদ্ধান্ত জানানো হবে কবে থেকে রেল লাইন বসানোর কাজ শুরু করবো। ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত নতুন লাইনে ট্রেন চালানো সম্ভব হবে বলেও জানালেন রেলপথ মন্ত্রী।
এসময় রেলপথ মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের গর্বের পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। এই সেতুতে রেল সংযোগের ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীই করেছেন। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প সরকারের দশটি অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি। এটি ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মিত হচ্ছে। এই মেগা প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সফলভাবে দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষে প্রকল্পকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটি অংশ ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত, দ্বিতীয় অংশ মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এবং তৃতীয়ত ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত। বিভিন্ন অংশের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা অংশের অগ্রগতি ৮০ শতাংশ, ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ এবং ভাঙ্গা থেকে যশোর সেকশনের কাজের অগ্রগতি ৫১ শতাংশ এবং সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ।

ঢাকা থেকে ভাঙা পর্যন্ত রেললাইন নির্মিত হলে ঢাকা ফরিদপুর রাজবাড়ী হয়ে খুলনা, যশোর, দর্শনা, বেনাপোল পর্যন্ত ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত নতুন যে লাইনটি এ বছরের ডিসেম্বর নাগাদ চালু হয়ে যাবে। ফলে মংলা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল সম্ভব হবে বলে জানান মন্ত্রী।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কামরুল আহসানসহ কনসালটেন্সি সুপারভিশন সার্ভিসের সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।




















