Reserve : আকুর দায় সমন্বয় শেষে রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়নে
- আপডেট সময় : ০৩:৪৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২ ২২৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
বাংলাদেশের রিজার্ভে মাথা উঁচু শুরু হয় ২০২০ সালে। সে বছরের মে মাস শেষে রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার, যা পরের মাসেই বেড়ে পৌছে যায় ৩৬ বিলিয়ন ডলারে। এরপর ধারাবাহিকভাবে বেড়ে গিয়ে ২০২১ সালের অগাস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডালারে পৌঁছেছিল।
সেপ্টেম্বর-অক্টোবর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দায় ১৩৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার সমন্বয়ের পর রিজার্ভ নেমে আসে ৩৪ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পতন ঠেকাতে গত সপ্তাহে ডলার বিক্রি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রবিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, সারের মতো এলসি বাধাগ্রস্ত না করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর দিন ডলার বিক্রির পরিমাণ বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক। উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে ৭৬২ কোটি ডলার বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ২০২০ সালের ২৪ জুন। এরপর আর রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামেনি। গত সেপ্টেম্বরে আকুতে ১৭৩ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নামে ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। এর আগে গত ১২ জুলাই ১৯৬ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। তার আগে গত ১০ মে আকুতে ২২৪ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নেমে আসে ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে।
আকু হলো একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। এ ব্যবস্থায় সংশ্নিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে।
রিজার্ভের পতন ঠেকাতে আমদানি দায় পরিশোধের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এলসি খোলা ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে। তবে আগে খোলা এলসির দায় পরিশোধের কারণে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। একই সময়ে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কমতে থাকায় রিজার্ভে ধারাবাহিক পতন হচ্ছে।





















