POWER: বিদ্যুৎহীন ৬ ঘণ্টা
- আপডেট সময় : ১১:২৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২ ২৭০ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
জাতীয় গ্রিডের একটি সঞ্চালন লাইনে বিভ্রাটের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎহীন ছিলো প্রায় ৬ঘন্টা। মঙ্গলবার বেলা ২টা ৪ মিনিটে বিপর্যয় বলে জানায় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তনরফে।
হাসপাতালসহ সকল সেবাখাতে চরম বিপর্যয় নেমে আসে। টেলিকমখাত ও হাসপাতালসহ জরুরি সেবাখাতে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। আকস্মিক ঘটনার জন্য তেমন কোন প্রস্তুতিও ছিলো না। অবশেষে রাত পৌনে ৮টা দিকে সচিবালয়হ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে। বিদ্যুৎহীন এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ আসতে শুরু করেছে।
কাকরাইল ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, আমরা জরুরি ভিত্তিতে এনআইসিও, এইচডিউ, আইসিইউর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। বিদ্যুৎ স্বাভাবিক না হলে বড় ধরনের ঝামেলা তৈরি হতে পারে।
হাসপাতালের জেনারেটর অপারেটর জানান, একটা জেনারেটর সর্বোচ্চ ছয় ঘণ্টা একটানা চালু রাখা যায়। এর থেকে বেশি চললে জেনারেটরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে দুর্ভোগে ঢাকার বহুতল ভবনের বাসিন্দারা। জল ও লিফট বন্ধ। শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা নাজুক। দীর্ঘ সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।
টানা ছয় ঘণ্টা বিদ্যুহীন থাকায় জল সংকট দেখা দেয় অফিস, বাসাবাড়ি সর্বত্র। দুপুর দুইটা থেকে ঢাকাসহ দেশে বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। সন্ধ্যায় ঢাকার বহু স্থানে মোমবাতি সংকট দেখা দেয়। বহুতল ভবনের জেনারেটরের জন্য তেল সংগ্রহ ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়।
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে দেশের ১ হাজার বিটিএস (মোবাইল টাওয়ার) এর সেবা বিঘ্নিত হয়েছে। আরও কয়েক হাজার বিটিএস ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কারণ বিকল্প উপায়ে বিটিএসগুলো দুই-তিন ঘণ্টা চালু রাখা যায়। এর মধ্যে বিদ্যুৎ না এলে মোবাইলে ও ইন্টারনেট সেবায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেবে।





















