ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

plane crash : স্বামীর মতো বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন কো-পাইলট অঞ্জু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক 

নেপালে র পর্যটন শহর পোখারায় বিমান দুর্ঘটনায় যে কো-পাইলট অঞ্জু খাতিওয়াদা নীরা নিহত প্রাণ হারিয়েছেন। ১৬ বছর আগে একই ধরনের দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারান তিনি। রবিবার ইয়েতি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট-৬৯১ যখন পোখারার কাছে একটি গিরিসঙ্কটে বিধ্বস্ত হয় তখন অঞ্জু খাতিওয়াদা ছিলেন সহকারী চালকের আসনে।

এই দুর্ঘটনায় বিমানের সব আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটিতে গত ৩০ বছরের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনা। অঞ্জুর স্বামী দীপক পোখরেলও একই এয়ারলাইন্সের কো-পাইলট ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় তিনিও ছিলেন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের সহকারী চালক।
বিমান দুর্ঘটনায় স্বামীর মৃত্যুর পর অঞ্জু নিজেও পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। স্বামীকে হারিয়ে বিহ্বল অঞ্জু বেঁচে ছিলেন তার এক কন্যাকে নিয়ে। পরে তার শোক তাকে পাইলট হওয়ার ব্যাপারে শক্তি যোগাতে থাকে।

অঞ্জুর পরিবারের এক সদস্য সন্তোষ শর্মা বলেন, তিনি ছিলেন একজন দৃঢ় সঙ্কল্পের নারী, যিনি তার স্বপ্ন পূরণের জন্য উঠে দাঁড়িয়েছেন এবং তিনি তার স্বামীর স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন।


স্বামী দীপক ছিলেন টুইন ওটার প্রপ প্লেনের কো-পাইলট। চাল ও খাদ্য নিয়ে বিমানটি পশ্চিমাঞ্চলীয় জুমলা শহরে যাওয়ার সময় তিনি এর ককপিটে ছিলেন। ২০০৬ সালের জুন মাসে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে গেলে তিনিসহ আরোহী ন’জনের সবাই প্রাণ হারান। এই দুর্ঘটনার চার বছর পর অঞ্জু যুক্তরাষ্ট্রে বিমান চালনার প্রশিক্ষণ নেন, এবং উত্তীর্ণ হওয়ার পরে যোগ দেন তার স্বামী যে ইয়েতি এয়ারলাইন্সে কাজ করতেন সেই এয়ারলাইন্সে।

ইয়েতি এয়ারলাইন্সে পাইলট হিসেবে যে ছ’জন নারী কাজ করতেন, অঞ্জু ছিলেন তাদের একজন। তিনি প্রায় ৬ হাজার ৪০০ ঘণ্টা বিমান উড়িয়েছেন। তিনি এই এয়ারলাইনের একজন ফুল ক্যাপ্টেন ছিলেন। তিনি একাও বিমান চালিয়েছেন, বলেন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের সুদর্শন বার্তাওলা। “তিনি ছিলেন একজন সাহসী নারী।

গত কয়েক বছর ধরেই নেপালের এসব দুর্ঘটনার জন্য বেশ কিছু কারণকে দায়ী করা হচ্ছে। পার্বত্য এলাকা এবং হঠাৎ করেই খারাপ হয়ে যাওয়া আবহাওয়াকে প্রায়শই এসব দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে অনেকে এর জন্য সেকেলে বিমান, আইন-কানুনের অভাব এবং ঠিক মতো নজরদারি না করাকেও দায়ী করে থাকেন। রবিবার ঠিক কী কারণে ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তার কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। সূত্র বিবিসির

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

plane crash : স্বামীর মতো বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন কো-পাইলট অঞ্জু

আপডেট সময় : ০৮:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক 

নেপালে র পর্যটন শহর পোখারায় বিমান দুর্ঘটনায় যে কো-পাইলট অঞ্জু খাতিওয়াদা নীরা নিহত প্রাণ হারিয়েছেন। ১৬ বছর আগে একই ধরনের দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারান তিনি। রবিবার ইয়েতি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট-৬৯১ যখন পোখারার কাছে একটি গিরিসঙ্কটে বিধ্বস্ত হয় তখন অঞ্জু খাতিওয়াদা ছিলেন সহকারী চালকের আসনে।

এই দুর্ঘটনায় বিমানের সব আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটিতে গত ৩০ বছরের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনা। অঞ্জুর স্বামী দীপক পোখরেলও একই এয়ারলাইন্সের কো-পাইলট ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় তিনিও ছিলেন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের সহকারী চালক।
বিমান দুর্ঘটনায় স্বামীর মৃত্যুর পর অঞ্জু নিজেও পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। স্বামীকে হারিয়ে বিহ্বল অঞ্জু বেঁচে ছিলেন তার এক কন্যাকে নিয়ে। পরে তার শোক তাকে পাইলট হওয়ার ব্যাপারে শক্তি যোগাতে থাকে।

অঞ্জুর পরিবারের এক সদস্য সন্তোষ শর্মা বলেন, তিনি ছিলেন একজন দৃঢ় সঙ্কল্পের নারী, যিনি তার স্বপ্ন পূরণের জন্য উঠে দাঁড়িয়েছেন এবং তিনি তার স্বামীর স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন।


স্বামী দীপক ছিলেন টুইন ওটার প্রপ প্লেনের কো-পাইলট। চাল ও খাদ্য নিয়ে বিমানটি পশ্চিমাঞ্চলীয় জুমলা শহরে যাওয়ার সময় তিনি এর ককপিটে ছিলেন। ২০০৬ সালের জুন মাসে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে গেলে তিনিসহ আরোহী ন’জনের সবাই প্রাণ হারান। এই দুর্ঘটনার চার বছর পর অঞ্জু যুক্তরাষ্ট্রে বিমান চালনার প্রশিক্ষণ নেন, এবং উত্তীর্ণ হওয়ার পরে যোগ দেন তার স্বামী যে ইয়েতি এয়ারলাইন্সে কাজ করতেন সেই এয়ারলাইন্সে।

ইয়েতি এয়ারলাইন্সে পাইলট হিসেবে যে ছ’জন নারী কাজ করতেন, অঞ্জু ছিলেন তাদের একজন। তিনি প্রায় ৬ হাজার ৪০০ ঘণ্টা বিমান উড়িয়েছেন। তিনি এই এয়ারলাইনের একজন ফুল ক্যাপ্টেন ছিলেন। তিনি একাও বিমান চালিয়েছেন, বলেন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের সুদর্শন বার্তাওলা। “তিনি ছিলেন একজন সাহসী নারী।

গত কয়েক বছর ধরেই নেপালের এসব দুর্ঘটনার জন্য বেশ কিছু কারণকে দায়ী করা হচ্ছে। পার্বত্য এলাকা এবং হঠাৎ করেই খারাপ হয়ে যাওয়া আবহাওয়াকে প্রায়শই এসব দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে অনেকে এর জন্য সেকেলে বিমান, আইন-কানুনের অভাব এবং ঠিক মতো নজরদারি না করাকেও দায়ী করে থাকেন। রবিবার ঠিক কী কারণে ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তার কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। সূত্র বিবিসির