Mongla port : মোংলা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে পণ্য পরিবাহিত হবে আসাম-মেঘালয়ে
- আপডেট সময় : ০৮:২০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অগাস্ট ২০২২ ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
বাংলাদেশের মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ভারতের পণ্য পরিবাহিত হবে মেঘালয়-আসামে। মঙ্গলবার বিকাল নাগাদ প্রথম চালান মেঘালয়ে প্রবেশের কথা। এর আগে ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ত্রিপুরায় ও আসামে যায় ভারতের পণ্য চালান। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় মোংলা বন্দর থেকে সহজেই সড়ক পথে ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহনের দুয়ার উন্মক্ত হলো।
চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ব্যবহারে বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ২০২০ সালে ট্রয়াল রানে পণ্য আনা হয়েছিলো আগরতলায়। ত্রিপুরা ও আসামে কনটেইনার পরিবহনের দুই বছর কেটে গেছে। এর মধ্যে খুলে গিয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির দক্ষিণ দুয়ার পদ্মা সেতু। তাতে করে মোংলা বন্দর থেকে দূরত্ব অনেকটাই কমেছে তামাবিল-ডাউকির।
ভারতের পণ্য নিয়ে বন্দর জেটিতে জাহাজ
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি চুক্তির ট্রায়ালের পণ্য মোংলা বন্দর দিয়ে খালাসের পর তা চলে যাবে ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে। তামাবিল কাস্টমস সূত্রে খবর, তাদের কাগজপত্র সব তৈরি। তামাবিলে পণ্যবাহী লরি পৌছানোর পর তা বন্দরে রাখা হবে। মেঘালয়ের লরি আসার পর তাতে লোড করে চলে যাবে ভারতে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সোমবার ভারত থেকে আসা জাহাজটি বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে ভিড়ে। দুপুর নাগাদ হাত লাগানো হয় পণ্য খালাসে।
অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া (এসিএমপি) চুক্তির আওতায় এ ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের মধ্যে ২০১৮ সালের অক্টোবরে এ চুক্তি হয়।
মোংলা বন্দর জেটিতে এ পণ্য খালাসের সময় ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ইনডার জিত সাগর, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ নেয়াজুর রহমান ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পণ্যবাহী জাহাজ
ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুটে অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাতে দুই দেশের অর্থনীতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে প্রত্যাশা ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ইনডার জিত সাগর-এর।
২০১৫ সালের ৬ জুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত পিআইডাব্লিউটিটি চুক্তির অংশ হিসেবে ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্যের প্রথম চালান পৌছে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বাংলাদেশের নদী বন্দর আশগুগঞ্জে। ১৭ জুন আশুগঞ্জ বন্দর থেকে ত্রিপুরায় পণ্যপরিবহনের প্রথম ট্রান্সশিপমেন্টের উদ্বোধন করে তৎকালীন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান।



















