Labor Law Amendment : শ্রম আইন সংশোধনের উদ্যোগের প্রশংসায় ভারত
- আপডেট সময় : ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর ২০২২ ২৭৪ বার পড়া হয়েছে
‘সংশোধিত বাংলাদেশ শ্রম আইনই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে প্রয়োগ হবে। সামাজিক অংশীদার, ট্রেড ইউনিয়ন এবং ঢাকায় আইএলও অফিসের সাথে পরামর্শ করে রোডম্যাপ বাস্তবায়নে সরকারী উদ্যোগের প্রশংসা করেছে ভারত’
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
বাংলাদেশ ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে শ্রম আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং সংশোধিত শ্রম আইন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতেও প্রযোজ্য হবে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডির ৩৪৬তম অধিবেশনে অংশ নিয়ে মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। গত ৩১ অক্টোবর শুরু হওয়া এই অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আইনমন্ত্রী।
আইনমন্ত্রী ঘোষণা করেন, সংশোধিত বাংলাদেশ শ্রম আইনই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে প্রয়োগ হবে। সামাজিক অংশীদার, ট্রেড ইউনিয়ন এবং ঢাকায় আইএলও অফিসের সাথে পরামর্শ করে রোডম্যাপ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেছে ভারত।
মঙ্গলবার রাতে ঢাকার ভাতীয় হাইকমিশনের তরফে পাঠানো তথ্যবার্তায় বলা হয়, ভারত তাদের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে দেশের সামগ্রিক শ্রম উন্নতির দিকে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলির প্রশংসা ও সমর্থন করে।
ট্রেড ইউনিয়নের অনলাইন এবং অফলাইন নিবন্ধনের সুবিধা ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট শ্রম আইন সংশোধনের কাজ ভালোভাবে এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ সরকার রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড)
সার্বক্ষণিক হেল্পলাইনের পাশাপাশি মামলাগুলির ব্যাকলগ সমাধানের জন্য অতিরিক্ত শ্রম আদালত স্থাপন, বিচারক এবং শ্রম পরিদর্শক নিয়োগ করায় ভারত প্রশংসা করেছে।

শ্রম আইন সংস্কারের অগ্রগতি ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ শ্রম বিধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিধি গ্রহণ এবং এ সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করায় ভারত খুশি। ভারত বিশ্বাস করে শ্রম খাতে বহুমুখী সংস্কার আনতে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং আইএলও-এর সমর্থন ও উৎসাহিত করা উচিত।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা বিশ্বাস করি ২৬ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সমস্ত অসামান্য সমস্যা সমাধানে রোড ম্যাপ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার যে প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে এবং সেই দিকে গৃহীত গঠনমূলক এবং দীর্ঘস্থায়ী পদক্ষেপগুলি বিশেষ প্রশংসা এবং এর অনুরোধের বিবেচনার যোগ্যতা রাখে।
ভারত তাদের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে দেশের সামগ্রিক শ্রম পরিস্থিতির উন্নতির ও বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলির প্রশংসা এবং সমর্থন করে।





















