JOYEE AWARD : নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে এজেন্ডা গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা
- আপডেট সময় : ০৮:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১ ৩৪০ বার পড়া হয়েছে
‘দ্রুত বর্ধনশীল ই-কমার্সে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে, জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনগুলোতেও বাংলাদেশের নারীরা দায়িত্ব পালন করে চলেছেন, শেখ হাসিনা সরকার নারীবান্ধব’
বাংলাদেশের বিচার, নির্বাহী বিভাগ এবং আইনসভাসহ সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ দৃশ্যমান। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে শেখ হাসিনা যে এজেন্ডা গ্রহণ করেছিলেন, তারই সফলভোগ করছেন নারী সমাজ। শেখ হাসিনা সরকারের নারীবান্ধব নীতির কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনগুলোতেও বাংলাদেশের নারীরা দায়িত্ব পালন করে চলেছেন জোর কদমে।
ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উইমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরামের (উই) চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘জয়ী এওয়ার্ড ২০২১’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশের বিদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
ড. মোমেন আরও বলেন, শেখ হাসিনার সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। চলমান অতিমারীর মধ্যেও জীবনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে দেশের মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করছে। ই-কমার্স আজকের

বাংলাদেশের প্রসারমান অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। দ্রুত বর্ধনশীল ই-কমার্সে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে উই-এর নারী ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের মধ্য হতে প্রতিবছরের মতো দশটি ক্যাটাগরিতে দশ জন এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আরো চারটি ক্যাটাগরিতে চল্লিশ জনসহ সর্বমোট ৫০ জন নারী উদ্যোক্তাকে ‘জয়ী এওয়ার্ড ২০২১’ প্রদান করা হয়। এর আগে উই-এর অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম ‘উইহাটবাজার’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েই প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিকভাবে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণে এজেন্ডা গ্রহণ করেছিলেন। জাতীয় মহিলা উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন করেন। শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নির্দেশনায় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য জয়ীতা
কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। যার সুফল ভোগ করছেন আজকের নারী সমাজ। এক্ষেত্রে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের নারীদের কর্মসংস্থানে শেখ হাসিনার পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন ড. মোমেন বলেন জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনগুলোতেও বর্তমানে বাংলাদেশের নারীদের নিযুক্ত করা

হচ্ছে। বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি নারীদের বিরুদ্ধে সবধরনের বৈষম্য দূরীকরণ বিষয়ক কনভেনশন (CEDAW) এবং বেইজিং প্ল্যাটফর্ম ফর অ্যাকশন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রক সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, লংকা-বাংলা ফাইনান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা শাহরিয়ার, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মনিরুল মওলা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উই-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা।





















