Jayashankar-Momen-met-in-Paris: প্যারিসে বৈঠক জয়শঙ্কর-মোমেনের
- আপডেট সময় : ১০:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৩০১ বার পড়া হয়েছে
ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর ও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিতে অঙ্গীকার জয়শঙ্করের, মোমেনকে জেসিসি বৈঠকে আমন্ত্রণ, ড. জয়শঙ্কর এক টুইট বার্তায় বলেন, ২০২২ সালে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও উচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’
ইন্দো-প্যাসিফিক বৈঠক আমন্ত্রণ মেলেনি চীনের
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে মঙ্গলবার বসেছে ৬২ দেশের বিদেশমন্ত্রী পযৃায়ের বৈঠক। মঙ্গলবার শুরু হওয়া বৈঠকে আমন্ত্রণ মেলেনি চিনের। গুরুত্বপূণ ইন্দো-প্যাসিফিক তথা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয় আলোচনা করতেই এই বৈঠক। ফ্রান্সের আমন্ত্রণে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
এর আগে গেলো বছরের ৯ নভেম্বর প্যারিসের এলিসি প্রাসাদে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকে ইন্দো-প্যাসিফিক ইস্যুতেও আলোচনা হয়েছিল। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্রান্স-বাংলাদেশ সবার সমৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক অবাধ, উন্মুক্ত, শান্তিপূর্ণ নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিষয়ে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে।
পরবর্তীতে ১৮ নভেম্বর ঢাকায় ইন্ডিয়ান ওশ্যান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে ইন্দো-প্যাসিফিক প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেসময় বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছিলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশল কী হবে তা নিয়ে সরকার কাজ করছে।
প্যারিসে ইন্দো-প্যাসিফিক বৈঠকে যোগ দেওয়া ভারত-বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এ সময় বছরের প্রথমার্ধে জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিটির (জেসিসি) পরবর্তী বৈঠকে ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর।
প্যারিসে ইন্দো-প্যাসিফিকের সঙ্গে সহযোগিতা বিষয়ে ইইউ মন্ত্রী পর্যায়ের ফোরাম চলাকালে সোমবার ড. মোমেন-জয়শঙ্কর দ্বিপাক্ষিক বৈঠককালে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রকের এক সংবাদবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে দুই মন্ত্রী জেসিসি বৈঠকের আগে সংশ্লিষ্ট জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শেষ করার প্রয়োজনীয়তার রয়েছে বলে মনে করেন। এসময় ড. মোমেন তিস্তার জল বণ্টন সমস্যা সমাধানের কথা তুলে ধরেন। ড. জয়শঙ্কর বিষয়টি তার সরকারের নীতিগত অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তবে, তারা কুশিয়ারা নদী সংক্রান্ত চলমান আলোচনা চালিয়ে যেতে একমত।

ড. মোমেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে ভারতকে রোহিঙ্গা মানবিক সংকটের সমাধানের বিষয়ে সম্পৃক্ত থাকার আহ্বান জানান।
উভয় মন্ত্রী মনে করেন, মুজিব শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে ২০২১ সাল বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি উচ্চ মাত্রায় পৌঁছেছে।
২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস পালনের জন্য বিশ্বের ১৮টি নগরীতে সফল অনুষ্ঠান করার কথাও স্মরণ করেন উভয় মন্ত্রী। ড. জয়শঙ্কর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ড. জয়শঙ্কর এক টুইট বার্তায় বলেন, ২০২২ সালে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও উচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৈঠকে জয়শঙ্ক বলেন, বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে এই বৈঠক তাপর্যপূর্ণ। ২০২১ সালকে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের দারুণ বছর উল্লেখ করে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর দু’দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করছি। ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদেশমন্ত্রীরা এখন ফ্রান্স সফর করছেন।























