ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

Japan : বিয়েতে অনিহা জাপানে রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানের রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর বিয়ে অনিহা। ২০২২ সালের সমীক্ষায় বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। একটা মোটা দাগের তরুণ-তরুণী জানিয়েছেন, তারা বিয়ে করবেন না। জাপানের জাতীয় জনসংখ্যা ও সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার ২০২১ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৪-এর বয়সী ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ তরুণ ও ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ তরুণী জানিয়েছেন তারা বিয়ে করবেন না। অথচ ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ ও ৪ দশমিক ১ শতাংশ নারী বিয়ে করবেন না বলে জানিয়েছিলেন।

সর্বশেষ ২০২২ সালের সমীক্ষাটিতে বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এমন প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাপান সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে এতে করে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে গিয়ে অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এ বিষয়ে দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।

জাপানে ক্রমশ জনশক্তি কমছে। সার্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তরুণদের একটা বড় অংশের বিয়ে নিয়ে কেন কোনো আগ্রহ নেই? এর কারণ দর্শিয়ে বলা হয়েছে, তরুণ-তরুণীরা বিয়ে করে সংসার করার চেয়ে নিজেদের পেশাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা নিজেদের ‘সিঙ্গেল’ জীবন উপভোগ করতে চান। নিজেদের ব্যক্তিস্বাধীনতায় কোনো ছাড় দিতে চান না। আর পেশায় উন্নতি করতে চান।

কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Japan : বিয়েতে অনিহা জাপানে রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর

আপডেট সময় : ১১:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছবি সংগ্রহ

‘কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানের রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর বিয়ে অনিহা। ২০২২ সালের সমীক্ষায় বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। একটা মোটা দাগের তরুণ-তরুণী জানিয়েছেন, তারা বিয়ে করবেন না। জাপানের জাতীয় জনসংখ্যা ও সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার ২০২১ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৪-এর বয়সী ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ তরুণ ও ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ তরুণী জানিয়েছেন তারা বিয়ে করবেন না। অথচ ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ ও ৪ দশমিক ১ শতাংশ নারী বিয়ে করবেন না বলে জানিয়েছিলেন।

সর্বশেষ ২০২২ সালের সমীক্ষাটিতে বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এমন প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাপান সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে এতে করে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে গিয়ে অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এ বিষয়ে দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।

জাপানে ক্রমশ জনশক্তি কমছে। সার্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তরুণদের একটা বড় অংশের বিয়ে নিয়ে কেন কোনো আগ্রহ নেই? এর কারণ দর্শিয়ে বলা হয়েছে, তরুণ-তরুণীরা বিয়ে করে সংসার করার চেয়ে নিজেদের পেশাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা নিজেদের ‘সিঙ্গেল’ জীবন উপভোগ করতে চান। নিজেদের ব্যক্তিস্বাধীনতায় কোনো ছাড় দিতে চান না। আর পেশায় উন্নতি করতে চান।

কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন।