ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

Japan : বিয়েতে অনিহা জাপানে রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৯০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানের রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর বিয়ে অনিহা। ২০২২ সালের সমীক্ষায় বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। একটা মোটা দাগের তরুণ-তরুণী জানিয়েছেন, তারা বিয়ে করবেন না। জাপানের জাতীয় জনসংখ্যা ও সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার ২০২১ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৪-এর বয়সী ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ তরুণ ও ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ তরুণী জানিয়েছেন তারা বিয়ে করবেন না। অথচ ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ ও ৪ দশমিক ১ শতাংশ নারী বিয়ে করবেন না বলে জানিয়েছিলেন।

সর্বশেষ ২০২২ সালের সমীক্ষাটিতে বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এমন প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাপান সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে এতে করে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে গিয়ে অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এ বিষয়ে দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।

জাপানে ক্রমশ জনশক্তি কমছে। সার্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তরুণদের একটা বড় অংশের বিয়ে নিয়ে কেন কোনো আগ্রহ নেই? এর কারণ দর্শিয়ে বলা হয়েছে, তরুণ-তরুণীরা বিয়ে করে সংসার করার চেয়ে নিজেদের পেশাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা নিজেদের ‘সিঙ্গেল’ জীবন উপভোগ করতে চান। নিজেদের ব্যক্তিস্বাধীনতায় কোনো ছাড় দিতে চান না। আর পেশায় উন্নতি করতে চান।

কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Japan : বিয়েতে অনিহা জাপানে রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর

আপডেট সময় : ১১:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছবি সংগ্রহ

‘কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানের রেকর্ডসংখ্যক তরুণ-তরুণীর বিয়ে অনিহা। ২০২২ সালের সমীক্ষায় বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। একটা মোটা দাগের তরুণ-তরুণী জানিয়েছেন, তারা বিয়ে করবেন না। জাপানের জাতীয় জনসংখ্যা ও সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার ২০২১ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৪-এর বয়সী ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ তরুণ ও ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ তরুণী জানিয়েছেন তারা বিয়ে করবেন না। অথচ ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ ও ৪ দশমিক ১ শতাংশ নারী বিয়ে করবেন না বলে জানিয়েছিলেন।

সর্বশেষ ২০২২ সালের সমীক্ষাটিতে বিয়েতে অনীহা প্রকাশকারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ। মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এমন প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাপান সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রকের বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে এতে করে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে গিয়ে অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এ বিষয়ে দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।

জাপানে ক্রমশ জনশক্তি কমছে। সার্বিক অর্থনীতিতে সরাসরি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তরুণদের একটা বড় অংশের বিয়ে নিয়ে কেন কোনো আগ্রহ নেই? এর কারণ দর্শিয়ে বলা হয়েছে, তরুণ-তরুণীরা বিয়ে করে সংসার করার চেয়ে নিজেদের পেশাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা নিজেদের ‘সিঙ্গেল’ জীবন উপভোগ করতে চান। নিজেদের ব্যক্তিস্বাধীনতায় কোনো ছাড় দিতে চান না। আর পেশায় উন্নতি করতে চান।

কেবল বিয়ে নয়, জাপানি তরুণ-তরুণীদের একটা বড় অংশ প্রেম, বা বিয়ে না করে এক ছাদের নিচে থাকা অথবা একা মা-বাবা হতেও আগ্রহী নন। এ কারণে জাপানে এমন সব মোবাইল অ্যাপ জনপ্রিয়, যেখানে ‘প্রেমিক’ বা ‘প্রেমিকা’ ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া পাওয়া যায়। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেখানে খণ্ডকালীন চাকরি করেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসেবে অর্থের বিনিময়ে সেবা দেন।