India-Bangladesh Friendship Pipeline : ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ পাইপলাইনে এপ্রিল থেকে ডিজেল আমদানি
- আপডেট সময় : ০৮:০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৩ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে
‘ভারতরে পশ্চমিবঙ্গরে নুমালীগড় থকেে ১৩১.৫০ কলিোমটিার পাইপলাইনে বাংলাদশেরে র্পাবতীপুর ডপিোতে ডজিলে আমদানরি সংক্রান্ত বাংলাদশে-ভারতরে মধ্যে ২০১৮ সালরে ৯ এপ্রলি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। একই বছররে ১৮ সপ্টেম্বের দুই দশেরে প্রধানমন্ত্রী ভডিওি কনফারন্সেরে মাধ্যমে এ প্রকল্পরে ভত্তিপ্রিস্তর স্থাপন করনে’
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
ভারত-বাংলাদেশ মধ্যে ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনের কাজ শেষ পর্যায়ে। আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে পাইপলাইনে ডিজেল আমদানি শুরু করবে বাংলাদেশ।
২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-বাংলাদেশের পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানির ১৫ বছর মেয়াদী চুক্তি সই হয়। একই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
চুক্তি অনুযায়ী প্রথম তিন বছর ২ লাখ টন, পরের তিন বছর ৩ লাখ টন, পরবর্তী চার বছর ৫ লাখ টন এবং অবশিষ্ট পাঁচ বছরে ১০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা যাবে। ২০১৭ সাল থেকে এনআরএল থেকে রেলওয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ২ হাজার ২০০ টন ডিজেল আমদানি করছে বিপিসি।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে আসামভিত্তিক ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা নুমালিগড় রিফাইনারির (এনআরএল) বিপণন টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত পাইপলাইনে জ্বালানি বহন করা হবে।
এনআরএলের জ্যেষ্ঠ এক আধিকারীকের বরাত দিয়ে রবিবার পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় এই প্রকল্পের কৌশলগত সব কাজ ভারতের অর্থায়নে বিদায়ী বছরের ১২ ডিসেম্বরে সম্পন্ন হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে পাইপলাইন উদ্বোধনের লক্ষ্য নির্ধারণ থাকলেও বিপিসি সূত্রের খবর, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে উদ্বোধন করা এ প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের অগ্রগতি এখন পর্যন্ত ৮৭ শতাংশ।
মূলত ডিপো নির্মাণ ও জমি অধিগ্রহণে জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজে বিলম্ব হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ইস্পাতের দাম বেড়ে যাওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ট্যাঙ্ক নির্মাণ পিছিয়ে গেছে। সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপে প্রকল্পের কাজ চলমান।
১৩১ দশমিক ৫০ কিলোমিটার ফ্রেন্ডশীপ পাইপলাইনের ভারতের অংশে পাঁচ এবং বাংলাদেশের অংশে ১২৬.৫ কিলোমিটার। প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ৭৭ দশমিক শূন্য ৮ কোটি রুপি। ভারতের অংশের ৯১ দশমিক ৮৪ কোটি রুপি বিনিয়োগ করেছে এনআরএল।
বাংলাদেশ অংশে ২৮৫ দশমিক ২৪ কোটি রুপি অনুদান সহায়তা দিয়েছে ভারত। ভূমি অধিগ্রহণসহ আনুষঙ্গিক কাজে বাংলাদেশ সরকার বরাদ্দ দিয়েছে ৩০৬ কোটি টাকা।



















