INDIA : : শিক্ষা সংস্কৃতিসহ নানা পেশার উন্নয়নে সহযোগিতা করবে ভারত, হাইকমিশনার
- আপডেট সময় : ০৯:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় বর্মা ও আইডিইবি সভাপতি এ কে এম এ হামিদ
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ সব পেশার উন্নয়নে দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারত বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে। আগামীতেও তা অব্যাহত থাকবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) অডিটোরিয়ামে ৫৮তম ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন প্রোগ্রামে (আইটেক) এ কথা বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় বর্মা।
এসময় হাইকমিশনার বলেন, ভারত প্রতি বছরই নানা পেশার মানুষের দক্ষতা বাড়াতে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে। তারই আলোকে ভারতের স্বনামধন্য ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন পেশার মানুষ অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে আরও দক্ষ হয়ে ওঠে।

প্রতি বছর আইটেক কোর্সের মাধ্যমে হাজারো বাংলাদেশি পেশাজীবী, তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা সংস্কৃতিসহ সব পেশার উন্নয়নে দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারত সহযোগিতা করছে, আগামীতেও করবে।
সরকারি পেশাজীবীদের পাশাপাশি এখন থেকে প্রফেশনাল এবং প্রাইভেট সেক্টরের ব্যক্তিরাও স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য আইটেক বৃত্তির সুযোগ পাবেন বলে জানান প্রণয় বর্মা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ৫০ বছরে একটি শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পর, দুই দেশ ক্রমবর্ধমান বিস্তৃত সেক্টরাল সহযোগিতায় কাজ করছে। সম্পর্কটি বিশ্বব্যাপী প্রতিবেশী কূটনীতির জন্য রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।

৫৮তম ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন প্রোগ্রামে (আইটেক) অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক : ছবি ভারতীয় হাইকমিশন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অমূল্য জীবন উৎসর্গ করেছেন সেই ভারতীয় ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের বৃত্তি দিচ্ছে ভারত সরকার। আইটেক প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে সব পেশার উন্নয়নে দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারত সহযোগিতা করছে। যা আমাদের জন্য অনন্য সুযোগ। আমি মনে করি অভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী দুই দেশ ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) সভাপতি এ কে এম এ হামিদ। এ সময় তিনি বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ভারতীয় বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও উন্মুক্ত করার অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে আইটেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে তিনজন নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। আয়োজনে ভারতীয় হাই কমিশনের পদস্থরা এবং আইটেক পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।



















