ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি

G-20 : যাওয়ার পর ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির আহ্বান মোদির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

ইন্দোনেশিয়ায় জি-২০ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি : সংগৃহীত ছবি।

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেনে গণতন্ত্রের পথে ফিরতে হবে। গত শতকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বে ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। সেসময়ই বিশ্ব নেতারা শান্তির জন্য চেষ্টা করেছিলেন। এখন আমাদের পালা’ জি-২০ সম্মেলনে মোদি’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জি-২০ সম্মেলন এবার হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ছাড়া প্রায় সব শীর্ষ নেতাই বালিতে পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদিও বালিতে পৌঁছে আলোচনার ফাঁকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর সঙ্গে একান্তে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ কথা বলেছেন। এ তথ্য জানায় ডয়েচে ভেলে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, আমি বারবার বলছি, আমাদের একটা পথ খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেনে গণতন্ত্রের পথে ফিরতে হবে। গত শতকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বে ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। সেসময়ই বিশ্ব নেতারা শান্তির জন্য চেষ্টা করেছিলেন। এখন আমাদের পালা।

তিনি আরও বলেছেন, এখন শান্তির জন্য সমবেত প্রয়াস জরুরি। আমি আশা করি, পরের বছর জি-২০ সম্মেলন যখন বুদ্ধ ও গান্ধীর পবিত্র ভূমিতে হবে, তখন আমরা সমবেতভাবে বিশ্বকে শান্তির বাণী শোনাতে পারব।

এবার জি-২০ এর চেয়ারম্যানের পদ পাবে ভারত। পরের বছর জি-২০ সম্মেলন ভারতে হবে। মোদি সেই কথাই বলেছেন। মোদি বিশ্বের সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে, তার কথা বলেছেন। সেগুলি হলো, জলবায়ু পরিবর্তন, ইউক্রেন সংঘাত, করোনা এবং বিশ্বের অর্থনীতিতে তার প্রভাব।

তিনি জানান, বিশ্বের সব জায়গায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব দেখা দিয়েছে। প্রতিটি দেশের গরিব মানুষের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। প্রতিদিনের জীবনযাপন তাদের কাছে সংগ্রামের মতো।

মোদি বলেছেন, আমাদের এটা মেনে নিতে কোনো দ্বিধা করা উচিত নয় যে, জাতিসংঘ এই সব সমস্যার মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে। আর আমরা উপযুক্ত সংস্কার কর্মসূচি নিতে ব্যর্থ হয়েছি। তাই বিশ্ব এখন জি-২০ এর দিকে তাকিয়ে আছে। জি-২০ এখন আরও প্রাসঙ্গিক হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

G-20 : যাওয়ার পর ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির আহ্বান মোদির

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

‘যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেনে গণতন্ত্রের পথে ফিরতে হবে। গত শতকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বে ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। সেসময়ই বিশ্ব নেতারা শান্তির জন্য চেষ্টা করেছিলেন। এখন আমাদের পালা’ জি-২০ সম্মেলনে মোদি’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জি-২০ সম্মেলন এবার হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ছাড়া প্রায় সব শীর্ষ নেতাই বালিতে পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদিও বালিতে পৌঁছে আলোচনার ফাঁকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর সঙ্গে একান্তে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ কথা বলেছেন। এ তথ্য জানায় ডয়েচে ভেলে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, আমি বারবার বলছি, আমাদের একটা পথ খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের যুদ্ধবিরতি ও ইউক্রেনে গণতন্ত্রের পথে ফিরতে হবে। গত শতকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বে ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। সেসময়ই বিশ্ব নেতারা শান্তির জন্য চেষ্টা করেছিলেন। এখন আমাদের পালা।

তিনি আরও বলেছেন, এখন শান্তির জন্য সমবেত প্রয়াস জরুরি। আমি আশা করি, পরের বছর জি-২০ সম্মেলন যখন বুদ্ধ ও গান্ধীর পবিত্র ভূমিতে হবে, তখন আমরা সমবেতভাবে বিশ্বকে শান্তির বাণী শোনাতে পারব।

এবার জি-২০ এর চেয়ারম্যানের পদ পাবে ভারত। পরের বছর জি-২০ সম্মেলন ভারতে হবে। মোদি সেই কথাই বলেছেন। মোদি বিশ্বের সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে, তার কথা বলেছেন। সেগুলি হলো, জলবায়ু পরিবর্তন, ইউক্রেন সংঘাত, করোনা এবং বিশ্বের অর্থনীতিতে তার প্রভাব।

তিনি জানান, বিশ্বের সব জায়গায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব দেখা দিয়েছে। প্রতিটি দেশের গরিব মানুষের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। প্রতিদিনের জীবনযাপন তাদের কাছে সংগ্রামের মতো।

মোদি বলেছেন, আমাদের এটা মেনে নিতে কোনো দ্বিধা করা উচিত নয় যে, জাতিসংঘ এই সব সমস্যার মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে। আর আমরা উপযুক্ত সংস্কার কর্মসূচি নিতে ব্যর্থ হয়েছি। তাই বিশ্ব এখন জি-২০ এর দিকে তাকিয়ে আছে। জি-২০ এখন আরও প্রাসঙ্গিক হয়েছে।